৫ জানুয়ারিকে সামনে রেখে নাশকতার পরিকল্পনা

বিএনপি এখনও অগণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার পতনের ষড়যন্ত্র করছে। বিদায়ী বছরের কর্মকাণ্ডের ফলাফল পৌর নির্বাচনে জনগণ দিয়ে দিলেও
ষড়যন্ত্র থেকে সরে আসেনি দলটি। সম্প্রতি দলের চেয়ারপারসনের বক্তব্যের মধ্য দিয়েই
তা স্পষ্ট হয়েছে। শিগগিরই সরকার পরিবর্তন হবে- খালেদা
জিয়ার এমন বক্তব্য ইঙ্গিত করে অসাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা দখল। তিনি প্রমান
করেছেন এখনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। ৫
জানুয়ারিকে সামনে রেখে সারা দেশে ব্যাপক নাশকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ
করছে একটি দল। বেগম জিয়া আপনার জানা উচিত ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে আন্দোলন হয় না। আন্দোলনের আউট সোর্সিং চলে না। বোমা মেরে জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে, পুলিশ মেরে গণতান্ত্রিক আন্দোলন সফল হয় না। গ্রেনেড হামলা, জঙ্গী পালন, রাজাকার যুদ্ধাপরাধী ঘাতক ধর্ষক লালন পালণের কালো ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে, জ্বালাও পোড়াও মানুষ মারো স্লোগান দিয়ে এবার খোঁড়া পায় রাজপথে নামলে আপনি আবারও নিঃসঙ্গতায় সুপার ফ্লপ হবেন। '২০১৩-১৫ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তাণ্ডবের রাজনীতির কারণে
বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তারা দল থেকে অনেক দূরে সরে
গেছেন। বিএনপি নেত্রী শুধু মিথ্যাচারই করেছেন, তা নয়, আপত্তিকর বক্তব্যও দিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে ডাইনি, রক্তপিপাসু ও হায়েনা- এই
কথাগুলো খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তার হাতে শুধু পোড়া মানুষের গন্ধই না, রক্তের দাগও লেগে আছে। বিশ্ব
ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. কৌশিক
বসু, ড. অমর্ত সেনের মত লোক বাংলাদেশের উন্নয়নে বিস্মিত হন; আর খালেদা জিয়া উন্নয়ন দেখেন না। জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন
নির্বাচন বলতে ১০টি হোন্ডা, ২০ জন গুণ্ডা, নির্বাচন ঠাণ্ডা; খালেদা জিয়া সম্ভবত সেই ধরনের নির্বাচন চেয়েছিলেন।'

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None