সামনে যেতে আসছে নানান বাঁধা

দেশকে সামনের
দিকে এগিয়ে নেওয়ার পথে আজ অনেক বাঁধা। একটি মহল দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। জঙ্গিবাদকে
উসকে দিচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ৭১-এর
খুনিরা নতুন চেহারায় আবির্ভূত হয়েছে। চক্রান্তকারীদের চক্রান্ত এখনো শেষ হয়নি বলেই এখন বাংলাদেশে
জঙ্গিরা হানা দেয়। ওরা পেছন দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। চক্রান্তকারীরা
এখনো তৎপর রয়েছে। বিএনপি ইস্যু তৈরির কারখানা। তাদের কোনো
রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। তারা নানা অজুহাতে নানা সময় নানান অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশকে
পেছনে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে। বর্তমান সরকারের আমলে তিস্তা চুক্তি যেন না হয়, সেটা বিএনপির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তাই এই
উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য তারা নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। প্রতিবেশী
দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাক্ষাতের ঘটনা স্বাভাবিক বৈকি। কিন্তু
কী করেছেন সেই একান্ত সাক্ষাতে? বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মোদির হস্তক্ষেপ কামনাই শুধু নয়, ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের বিরুদ্ধে একগাদা অভিযোগের ফর্দ পাঠ করে শুনিয়েই ক্ষান্ত
হননি, তা মোদির হাতেও তুলে দেন। ক্ষমতাসীন
সরকারকে সহযোগিতা না করার মতো বাক্য উচ্চারণে তিনি থেমে ছিলেন না। দেশবাসী
তার এই ক্রিয়াকলাপকে স্বাভাবিকভাবে নিয়েছে, তা কিন্তু নয়। বিরধী দল
ক্ষমতার লোভে মিথ্যাকে সত্যে রূপান্তর করায় যথেষ্ট পারদর্শী। তার এই
গুণাবলী চমৎকৃত করতেই পারে জাতিকে, কিন্তু বাস্তবে তা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। আয়নায় নিজ
মুখ যদি দেখতে পেতেন, বুঝতেন, কী ক্ষতিকর অবস্থানে আছেন তিনি। মিথ্যা
দিয়ে যা রচনা করেন, সবই তার কাছে সত্যি বলে মনে হয়। কিন্তু
বর্তমান সরকার সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে ‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে কেন্দ্রীয়
১৪ দল একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তার সময়েই ভারতের সাথে তিস্তা চুক্তি হবে এমন আশা প্রকাশ
করছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিস্তার পানি চুক্তির বিষয়ে
প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন। এই আমলেই তিস্তার সমস্যা সমাধান হবে। এর আগে
টেবিলে বসেই প্রধানমন্ত্রী ছিটমহল সমস্যা সমাধান, সমুদ্রসীমা উদ্ধারসহ অনেক বিষয়ই শান্তিপূর্ণ
সমাধান করেছেন। তাই তার সময়েই তিস্তার সমস্যাও সমাধান হবে।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None