চরম প্রতিকুল পরিস্থিতির মধ্যেও অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলছে দেশ

যে দেশের ক্রিকেটাররা স্বল্পতম সময়ে ক্রিকেট বিশ্বের ভিত কাঁপিয়ে
দিতে পারে,  যে জাতি
নিজস্ব অর্থায়নে প্রমত্তা পদ্মায় সেতু নির্মাণ করতে পারে, ন্যুনতম
সুবিধা না পেয়েও যে দেশের মেয়েরা এসএ গেমসে সোনা জিততে পারে সে দেশের উন্নয়ন থামিয়ে
দেয়া কারো পক্ষেই সম্ভব নয়, যদি আমরা নিজেই নিজেদের হারিয়ে না
দেই। অগ্রগতির মহাসড়কে উঠা বাংলাদেশ আর পেছনে তাকাতে চায় না। আমাদের গন্তব্য আকাশ ছোঁয়ার।
চীনের দেং জিয়াও পিং, মালয়েশিয়ার মাহাথির মুহম্মদ, সিঙ্গাপুরের লি কুয়ানকে সে সব দেশের মানুষ দেবতাজ্ঞানে পুজা করে। তাঁরা তিনটি
দেশকে সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তর করেছেন। চীন আজ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতি। দেশপ্রেমিক,
দুরদর্শী রাষ্ট্রনায়কেরা তাই করেন যা জন-কল্যানকর। আমাদের শেখ হাসিনাও
তাই করে চলেছেন যা আমাদের হাজার বছরের স্বপ্ন। গরীব-দুঃখী মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ই
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের লক্ষ। ক্ষুধার্ত সন্তান, ঘরে খাবার নাই’
মা-বাবার অবস্থাটা একবার ভাবুন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অবস্থাও
তেমনই ছিল। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। টাকা দিয়েও সে
সময় আমরা চাল কিনতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষ হয়নি।
অভাবকে পুজি করেই দেশী-বিদেশী মহল ষড়যন্ত্রের জাল রচনা করে এবং ১৫ আগস্টের বিয়োগান্ত
নাটক মঞ্চস্থ হয়। অথচ আজ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পরও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ
এখন চাল রপ্তানি করছে। বাংলাদেশকে একটি স্থিতিশীল দেশে পরিণত করেছেন রাজনীতির লৌহমানবী
শেখ হাসিনা। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ যেমন অগোছালো ছিল তেমনি ২০০৬-০৮ সালের
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসন শেষে বাংলাদেশের চেহারাও অনেকটা সেরকম ছিল। কোনো সেক্টরেই
স্থিতিশীলতা ছিলনা। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য,
শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য সর্বত্র একটি অরাজক অবস্থা
বিরাজ করছিল। বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতটি ছিল চরম বিশৃঙ্খলতায় পূর্ণ। শেখ হাসিনা ২০০৮
সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসার পর একটি বিধ্বস্ত অর্থনীতির সম্মুখীন হন। কিন্তু তিনি
হতাশ হননি। চরম প্রতিকুল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি বাংলাদেশকে এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে
নিয়ে যাচ্ছেন। তারই যোগ্য নেতৃত্বে আজ আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে পৌছে গেছি।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None