সবার সহযোগিতাই পারে জঙ্গিবাদ রুখতে

ধর্মকে কোনমতেই অসম্মানিত হতে দেওয়া যাবে না। যাদের কারণে এগুলো হচ্ছে, অবশ্যই তাদের
বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে কোন সন্দেহ নেই। সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের
ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এর ধরন পাল্টেছে, বদলেছে। প্রত্যেক
বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি এই অশুভ শক্তিকে
দমনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের করতে হবে। রাষ্ট্রের সকল নিরাপত্তা বাহিনীকে আধুনিক
প্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা অর্জনের মাধ্যমে সন্ত্রাসকে রুখতে হবে। নিরাপত্তা বাহিনীর
প্রত্যেক সদস্যকে সন্ত্রাস এবং জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে প্রশিক্ষণের
মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। জনগণের শক্তিকেই
মূলশক্তি, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদের মোকাবেলায় সম্মিলিত সামাজিক
আন্দোলন ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মের দোহাই দিয়ে মেধাবী তরুণদের
উগ্র জঙ্গীবাদে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে এর মূলোৎপাটন করা খুবই জরুরী।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে এমন কিছু সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের ঘটনা ঘটেছে যা সত্যই
ঘৃণিত। নতুন নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার এক দিকে যেমন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে
ত্বরান্বিত করছে, অপরদিকে ধ্বংসাত্মক কাজে এগুলোর ব্যবহার মানুষের জীবনমানকে হুমকির
মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তবে এ ধরনের ঘটনা যে শুধু বাংলাদেশেই ঘটছে তা নয়, উন্নত বিশ্বেও ঘটে
চলেছে। এগুলো সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজেদের সন্তানদের
বিপথে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষার জন্য পিতা-মাতা,
অভিভাবকদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সন্তানরা কি
করে, কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে- এসব বিষয়ের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা প্রত্যেক
পিতা-মাতা ও অভিভাবকের দায়িত্ব। যাতে করে তারা কোন ভুল পথে পা না বাড়াতে পারে।
সচ্ছল পরিবারের সন্তানদের একাংশ যাদের পরিবার তাদের কোনই অভাব-অভিযোগ অপূরণীয়
রাখেনি -তারাই এই পথে পা বাড়াচ্ছে।  দেখা
যাচ্ছে তাদের কোন একটা চাওয়া-পাওয়ার অপূর্ণতাও তাদের মানসিক যন্ত্রণার কারণ হচ্ছে।
সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার পাশাপাশি তাদের জন্য পিতা-মাতাকে আলাদা সময়
বের করে, তাদের সঠিক পথে আনতে হবে।

 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None