টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সম্পদের সৃজনশীল ব্যবহারের তাগিদ

 

 

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সম্পদের সৃজনশীল ব্যবহারের তাগিদ দেয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে দুর্নীতি ও অপচয় কমানোর প্রতিও জোর দেয়া হয়েছে। সম্পদ সবসময়ই সীমাবদ্ধ, একে সৃজনশীলভাবে কাজে লাগাতে পারলে অনেক কিছুই অর্জন করা সম্ভব।
উন্নয়নের প্রথম শর্তই হচ্ছে সুশাসন। সুশাসন না থাকলে উন্নয়ন হয়না? টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
তাছাড়া আমাদের সমাজে অপচয় আছে। এটিও রোধ করতে হবে। এখন রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
বাস্তবায়ন হচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়ন
হচ্ছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে। এক সময় মোট এডিপির আকারই ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা।
এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গেলে কিছু বিচ্যুতি হবেই। সেখান থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন
করতে হবে। ইতিমধ্যে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০১৬-২০২০) টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্য (এসডিজি) ও লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে সমন্বিত করা হয়েছে এবং
এগুলো বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব নিরূপণ করা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন
অভীষ্ট লক্ষ্য (এসডিজি) ও লক্ষ্যমাত্রাগুলো
বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিরূপণের জন্য একটি ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়ন কাঠামোও চূড়ান্ত পর্যায়ে
রয়েছে। যেহেতু এ লক্ষ্যমাত্রাগুলো বাস্তবায়নে নিজস্ব অর্থায়নের গুরুত্ব দেয়া হয়েছে,
তাই সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে অর্থায়ন এবং
এসডিজিসহ এসব বিষয়ে গণসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আমাদের এখন সবচেয়ে
বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ডেমোগ্রাফিক
ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগানো। যুব শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে
দেশের অর্থনীতির চাকাকে গতিশীল করে জাতীয় প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ
করা হয়েছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ১ কোটি ২৯ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি
করা হবে, যা শ্রমবাজারের চাহিদার চেয়েও বেশি হবে। একটি দারিদ্র্যমুক্ত,
অন্তর্ভুক্তিমূলক, শোষণহীন বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান
সরকার বদ্ধপরিকর।আর সেভাবেই এগিয়ে চলছে দেশ।


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None