মাদকের ভয়াবহ ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত যুব সমাজ

 

 

হতাশা মানুষকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তি কোনো উপায় না পেয়ে মাদক সেবন করে একপর্যায়ে।
কেউ
কেউ
আবার
বন্ধুদের সঙ্গে মিলে
সিগারেট খেতে
খেতে
একসময় মাদক
ধরে
ফেলে। ভঙ্গুর পরিবারের সদস্যরা সহজেই মাদকের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। বেকারত্ব থেকেও মানুষ জীবন সম্পর্কে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে।
কারণ
প্রত্যেক মানুষের কাজ
দরকার। শখের বশবর্তী হয়ে খাওয়া, প্রেমে ব্যর্থতা, সমাজে আদর্শ ব্যক্তির অভাব, শারীরিক সমস্যা, একাকীত্ব ও মানসিক অশান্তি, দাম্পত্য কলহ, মাদকের সহজলভ্যতা প্রভৃতি কারণে একজন মানুষ মাদকাসক্ত হতে পারে। মাদকাসক্তরা যে কতটা কষ্টকর ও অমানবিক জীবন-যাপন করে, তা চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না।
যাহোক ওরা
আমাদের ভাই-বোন, সন্তান, ওদেরকে রক্ষা করতে হবে; ফিরাতে হবে স্বাভাবিক সুন্দর জীবনে। মাদক মূলত দু’ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
প্রথমত, চাহিদা (ডিমান্ড) কমিয়ে এবং দ্বিতীয়ত,  সরবরাহ (সাপ্লাই) কমিয়ে। কিন্তু যেহেতু আমাদের দেশে মাদক প্রবেশ করে জল, স্থল ও অন্তরীক্ষ দিয়ে।
সুতরাং আমাদের চাহিদা (ডিমান্ড) কমানোর উপর জোর দিতে হবে।  দেশে মাদক ব্যবসার একটা বিরাট অংশ, বিশেষ করে বেচা-কেনা ও পরিবহন (ক্যারি) করা হয় মহিলা ও শিশুদের দ্বারা। দরিদ্র পরিবারের মহিলা ও শিশুদের এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
মাদকের চাহিদা কমানোর পাশাপাশি সমন্বিতভাবে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।
মাদক
ব্যবসায়ী,
বিশেষ করে
বড়
ব্যবসায়ীরা সাধারণত ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই থাকে।
তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে
হবে। শুধু মাদকের সরবরাহ কমিয়ে বা মাদক উদ্ধার করে এ সমস্যার সমাধান হবে না। এখন কমিউনিটি পুলিশিং শুধু পুলিশের কাজে ব্যবহার করলে হবে না।
এটা
এখন
এক
দর্শন। এ দর্শনকে কাজে লাগিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে বিপথগামী এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন করে জাতিকে অভিশাপমুক্ত করতে হবে। তাদেরকে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে হবে।
মূলত
সমাজের সকল
গোষ্ঠী বা
কমিউনিটিকে একত্রে ইতিবাচকভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের কাজ সফল হবে। যুব সমাজ রক্ষা পাবে। 


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None