আশ্রয়কেন্দ্রে ব্যতিক্রমী কর্মব্যস্ততা

বন্যায় ডুবেছে গ্রাম, গ্রামের বাসিন্দারা আশ্রয় নিয়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রে।
তবুও জীবন থেমে নেই। তাঁরা নেইবসে,
কারও সাহায্যের আশায়। আশ্রয়কেন্দ্রে বসেই তাঁরা বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র
তৈরি করে দুবেলাপেটভরে খাবার খাচ্ছেন। ব্যতিক্রমী এই দৃশ্য রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুর বড়গোলা উচ্চবিদ্যালয়
আশ্রয়কেন্দ্রের। রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে তারাগঞ্জের ঘনিরামপুর গ্রামে ওই আশ্রয়কেন্দ্রটির অবস্থান।
আশ্রয়কেন্দ্রটির উত্তর দিকে যমুনেশ্বরী নদীর ধারে তারাগঞ্জের কুর্শা ইউনিয়নের পাটনীপাড়া
গ্রাম। ওই গ্রামের ৫০টি পরিবারের বসবাস। নারী-পুরুষ, শিশু সবাই কমবেশি কর্মজীবী। তাঁরা বাঁশ দিয়ে কুলা, ডালা,
খলাই, টুকরি, পলো,
মোড়া, ডারকি, মুরগির খাঁচাসহ
বিভিন্ন জিনিস তৈরি করেন। এ জন্য তাঁদের দিন ও রাত কাটে কর্মব্যস্ততায়। পরিবারগুলোর
না খেয়ে থাকার কষ্ট নেই। আশ্রয়কেন্দ্রেও তাঁরা বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
এসব বিক্রি করে তাঁদের দিনও চলছে ভালোভাবে।  ওই আশ্রয়কেন্দ্রে অন্য আশ্রয়কেন্দ্রে অংশ নেওয়া বানভাসিদের
মতো তাঁরা কষ্টে নেই। নেই তাঁদের মধ্যে দুমুঠো খাবার, বিশুদ্ধ
পানি আর ওষুধের জন্য হাহাকার। চুপচাপ বসেও নেই  কেউ। নারী-পুরুষ
মিলে বাঁশ দিয়ে নানান জিনিস তৈরি করছেন। বসে নেই শিশুরাও। বাবা-মায়ের সঙ্গে তারাও কাজে হাত লাগিয়েছে।

 

 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)