আজ কবি আল মাহমুদের ৭৫তম জন্মদিন। তাঁকে নিয়ে আমার লেখা : কুয়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে আবার আমি ঘরে ফিরবো

আমাদের সমাজ বিনির্মাণে কতোগুলো লেখনি, চিন্তাধারা কাজ করে চলেছে। এই চিন্তাধারার প্রবাহমানতা বাংলাভাষী মুসলিম রেনেসাঁ থেকে অদ্যবধি বহমান। ঔপনিবেশিক আমলে কবি কাজী নজরুল ইসলাম প্রেমের বাণী প্রচার করে দুটি ধর্ম ও একটি নিধর্মকে একই সুতায় গেঁথে মালা বানাতে চেয়েছিলেন। চেয়েছিলেন এই উপমহাদেশের ধর্ম ও নিধর্ম মিলে একটি নতুন সমাজ উপহার দিতে। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি স্থানীয় প্রতিটি ধর্ম ও নিধর্মকে জাগাতে চেষ্টা করেন। এই চেষ্টা তার স্বধর্মের পিছিয়ে পড়া লোকদের উৎফুল্ল করে তোলে। তারা নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করতে থাকে সমাজ নির্মাণের পথ নিয়ে।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে থেকে বেড়ে উঠলেও তার পরিণত বয়সে এমন একজন সমাজবাদী বন্ধুর সংস্পর্শে এলেন, যে এই জাতির সমাজবাদী আন্দোলনের অগ্রপথিক। কবি কাজী নজরুল ইসলাম একটি পরাজিত জাতিকে শোষণ মুক্ত করার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন, আর এই বিলিয়ে দেয়ার চিন্তার সাথে সমাজবাদী চিন্তধারা অনেকাংশে মিলে যায় বিধায় সমাজবাদীদের সাথে থেকে কাজ আঞ্জাম দেযার চেষ্টা করেন। সমাজবাদীরা এই সামাজে ধর্ম এবঙ বেনিয়াদের একই সাথে শত্র“ মনে করে যুদ্ধ করতে থাকলে তাদের শক্তি দ্বিখন্ডীত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। এই দুর্বলতার কারণ খুঁজতে গিয়ে নজরুল সামজবাদকে নিগুঢ়ভাবে পাঠ করলেন। আর এই সমাজ পর্যালোচনা করে দেখলেন- এই সমাজ ধর্ম নির্ভর। ধর্মের ছায়াতলে তারা যতোটুকু আরাম বোধ করে অন্য চিন্তাধারায় অতোটা আরাম বোধ করে না। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, যে সমাজ ধর্মকে গভীরভাবে গ্রহণ করেছে তার বিরুদ্ধে লড়াই করা বৃথা বরং এই ধর্ম নির্ভর সমাজকে জাগাতে হলে ধর্মের বাহির থেকে নয় ধর্মের ভেতর থেকে জাগাতে হবে। এই জাগানোর প্রচেষ্টাই বাংলাভাষি মুসলিম লেখক সমাজে রেনেসাঁ। মুসলিম লেখক সমাজে যখন রেনেসাঁ হলো তখন তার জাতিও তাদের লেখনির তেজস্ক্রিয়ায় প্রজ্জ্বলিত হয়ে ওঠে। এভাবেই বাংলাভাষি মুসলিম সমাজ উপমহাদেশে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অবস্থান সৃষ্টি করে। এই সৃষ্টির ধারাবাহিকতায় নতুন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ নিয়ে হাজির হন কবি ফররুখ আহমদ। কবি ফররুখ আহমদ মুসলিম মানসে বৃদ্ধি পাওয়া অগ্রসরদের ‘রাত পোহাবার কতো দেরি পাঞ্জেরী’ প্রশ্নবানে জর্জরিত করেন। এই প্রশ্নের জবাব না পেয়েই একদিন বিদায় নেয় কবি ফররুখ আহমদ।

মুসলিম মানসের সমৃদ্ধির ফলে সৃষ্টি হয় পাকিস্তান নামক এক নতুন রাষ্ট্র। নতুন রাষ্ট্রের উল্লাস নিয়ে বা সেই নতুন দেশের আনন্দে একঝাঁক নতুন সৃষ্টিশীলদের আবির্ভাব হয়। কিন্তু নতুন এই মুসলিম মনস্ক রাষ্ট্রের জনসাধারণ তাদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন দেখতে না পেয়ে, সদ্য শিক্ষিত সমাজ; ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন ভেঙ্গে বা উন্নত এক সমাজ গঠনের কোনো এক মোহে ক্রমান্বয়ে মুসলিম মানস থেকে সমাজবাদী মানসে রূপান্তরিত হয়ে যায়। এই মানস নিয়ে তারা এতো দ্রুত সফলতা অর্জন করে যে, পাকিস্তান নামক ধর্মরাষ্ট্রটি ভেঙ্গে পড়ে বালির বাঁধের মতো। সৃষ্টি হয় বাংলাদেশ। কিন্তু হায়! নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ সৃষ্টি হলেও সমাজবাদীরা বাংলাদেশে উড়াতে পারেনি সমাজবাদী পতাকা। পারেনি সমাজবাদী রাষ্ট্র গঠন করতে। যেভাবে নতুন পাকিস্তানে উড়াতে পারেনি মুসলিমপন্থীরা তাওহীদের পতাকা; প্রয়োগ করতে পারেনি শরিয়া আইন।

সমাজবাদীদের স্বপ্ন-কল্পনার নতুন রাষ্ট্রের সংবিধানে শেখ মুজিবর রহমান সমাজতন্ত্র কথাটা রাখলেও সে সমাজবাদী বিধান চালু করেনি। সম্ভবত তিনি বা তাঁর পরামর্শকগণ অনুধাবন করতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা মুসলিম মানস দ্বারা প্রবাহিত। মুসলিম মানসের বিপরীতে নতুন কোনো বিধান প্রয়োগ করলে তাকে দেশের জনগণ পাকিস্তানিদের মতোই বর্জন করতে পারে। কিন্তু সমাজবাদীরা এটা মেনে নিতে পারলেন না। তারা তাদের লেখনি, চলচ্চিত্র, গান ও নাটকের মাধ্যমে দাঁড়ি-টুপি পরিহিত মুসলিম ইমামদের খলনায়ক হিসেবে দাঁড় করায়। কারণ তারা অনুধাবন করেছে মুসলিম মানস নির্ভর এই সমাজ, সমাজবাদীদের গ্রহণ করবে না। তারা সাম্যবাদ গ্রহণ করলেও পীরপূজা বর্জন বা মসজিদের ইমামের কথার বিপরীতে যাবে না। যে সমাজ প্রবলভাবে আল্লাহকে গ্রহণ করেছে সেখানে নিধর্মবাদ সমৃদ্ধ সমাজবাদীদের কোনো স্থান নেই। এই অনুধাবন বা এই সমাজ বিশ্লেষণ কবি আল মাহমুদ অবলোকন করেন। তিনি নিগুঢ়ভাবে পাঠ করলেন এই সমাজের প্রতিটি জেনেটিক কোড। পাঠ করলেন এই বাংলাদেশের আটষট্টি হাজার গ্রামের সহজ সরল মানুষের মুখের মানচিত্র। তখনই তিনি সমাজবাদী চিন্তা থেকে নিজেকে বিচ্যুত করে বাংলাদেশের সমাজ নির্ভর চিন্তা ও মুসলিম মানসকে গ্রহণ করে বললেন- ‘আমি কুণ্ডলীকৃত ধোঁয়ার আড়াল থেকে বেরিয়ে/ধ্বংসের ওপর রেখে আসা আল্লাহর আদেশ/বুকে তুলে নিলাম।’

পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে যখন সমাজবাদী দীক্ষায় দীক্ষিত নতুন শিক্ষিত শ্রেণী নগরকেন্দ্রীক সমাজ সৃষ্টির চেষ্টা চালাতে গিয়ে ক্রমাগত চাষি সমাজের কথা ভুলে নাগরিক মনন সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। গজায়মান মধ্যবৃত্ত শ্রেণী তখন গ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নগরকেন্দ্রীক বলয়ে আবদ্ধ হয়ে পরে এবং তাদের প্রচারিত সমাজবাদ আর প্রসারিত হয়ে উঠে না গ্রাম পর্যন্ত। মফস্বলে সেই সমাজবাদের দোলা কিঞ্চিত পরিমাণ অগ্রসর হয়। সেই অগ্রসরের ছোঁয়া আল মাহমুদকে ছুঁয়ে যায়। তিনি সেই ছোঁয়া আরো গাঢ়, আরো বাস্তবসম্মতভাবে গ্রহণের জন্য পঠন-পাঠন অবলম্বন করে বেড়ে উঠতে চেষ্টা করেন। এই সমাজবাদের চেষ্টা কেতাবী নির্ভর হয়ে এক কুয়াশাচ্ছন্ন ধোঁয়ার কুণ্ডলীর মতো রহস্যময় তত্ত্ব নির্ভর থেকে যায়। তারা হয়তো অনুধাবন করতে পারেনি সমাজবাদের চেষ্টা যে শুধু তত্ত্ব নির্ভর নয়, প্রয়োগ নির্ভর এই বোধ বা চিন্তা তাদেরকে বেশি আলোড়িত করেনি। এই জন্য শুধু আল মাহমুদ নয় গোটা দেশের সমাজবাদীরা তত্ত্বগত বিচার বিশ্লেষণ নিয়ে পত্রিকার পাতা বা লেখনি নির্ভর সমাজবাদ প্রচার করে খান্ত থেকেছে বা সন্তুষ্ট থেকেছে। তারা সমাজকে সূচীশুদ্ধ করতে গিয়ে, সমাজের কুসংস্কার মুছতে গিয়ে ধর্মকে আঘাত করেছে। দেশের সমাজকে নিগুঢ়ভাবে পাঠ না করে আমদানীকৃত চিন্তার প্রয়োগ করতে চেয়েছে। আবেগের বশবর্তী হয়ে রাশিয়ার মতো এখানে সমাজবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমাজকে পাঠ করে বুঝতে পারেনি এই বাংলাদেশ আর রাশিয়ার অবস্থান এক নয়। রাশিয়ার জাররা ধর্মীয়ভাবে শোষণ করেছে তাদের সামজকে কিন্তু বাংলাদেশের ধর্মাবলম্বীরা সেইভাবে শোষণ করেনি বরং বিভিন্ন পীরের মাজারের সাথে এবং গ্রামে গ্রামে এতিম-মিছকিন শিশুদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাসহ মক্তব, মাদরাসায় লিল্লাহ বোর্ডিং, এতিমখানা সৃষ্টি করে সমাজের সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছে। বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করেছে। যদিও তা শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এই ধরনের বৃত্তিমূলক কোনো শিক্ষা বা গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য সমাজবাদীরা কোনো ব্যবস্থাই গ্রহণ করেননি। তাই এ দেশের মানুষ সমাজবাদীদের কথায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে কোনোদিন ধর্মাবলম্বিদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি। তাইতো কবি আল মাহমুদের মুখে শুনি সেই বিখ্যাত প্রেমের বাণী ‘কবিতা তো মক্তবের মেয়ে/চুল খোলা আয়েশা আক্তার।’ আল মাহমুদ সত্যি সত্যিই অনুধাবন করতে পেরেছেন, যে ধর্মাবলম্বিরা মক্তবেই পাঠের প্রথম ছবক তুলে দেয় শিশুর মুখে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে একজন সমাজমনস্ক মানুষ কখনো সমাজের বিপরীত ধারায় থাকতে পারে না। তাই তাঁকে প্রত্যাবর্তন করতে হয়। প্রত্যাবর্তন করতে হয় মাটির কাছে, মানুষের কাছে, ধর্মের কাছে।

সমাজবাদীরা এই দেশে একটি শক্ত ভীতের ওপর দাঁড়িয়ে সমাজটাকে বিনির্মাণ করার সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলেছে। তারা সমাজবাদকে নিধর্মবাদের সাথে না গুলিয়ে তাদের ধর্মনির্ভর সমাজবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্রত হওয়ার প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু হায়! তাদের কপাল মন্দ তা বলতেই হয়। সমাজবাদ প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করেও সমাজধর্মকে ত্যাগ করার কারণে- সমাজের ভেতরে প্রবেশ করাতে পারলো না আর রাষ্ট্রও প্রতিষ্ঠা করতে পারলো না সমাজবাদ। কবি আল মাহমুদ এই অবস্থা অনুধাবন করে ধর্মে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে সমাজের ভেতর প্রবেশ করে জীবনের ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করে চলছে আর সমাজবাদীরা পড়ে রইলো সেই বা ডুবে রইলো সমাজবাদী তত্ত্বের ভেতর। সেই তত্ত্বের ভেতরই অঙ্কিত থাকলো সমাজবাদী রাষ্ট্রের মানচিত্র।

কবি আল মাহমুদ সমাজবাদ নির্ভর ‘সোনালী কাবিন’ কবিতা লিখে যশ ও খ্যাতি নিয়ে আসলেও এদেশের মানুষের কথা জাতির কথা প্রকাশ করলেও তার সমাজবাদী মিকচারের জন্য সাধারণ মানুষ ‘সোনালী কাবিন’ কবিতা তেমন অনুধাবন করে উঠতে পারেনি বলেই মনে হয়েছে। দেশ ও ভূমিসন্তানদের এই কবিতায় তুলে আনলেও বাংলাদেশের বৃহত্তম ধর্মাবলম্বীজনগোষ্ঠীর আবেগ তেমন ধারণ করতে পারেনি। কারণ সমাজবাদীরা সমাজবাদ তত্ত্ব ও প্রয়োগের মধ্যেও ছিলো বিস্তর ফারাক এবং অসামঞ্জস্য। সেই অসামঞ্জস্যগুলোর জন্য সমাজবাদ যেমন প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি ঠিক তেমনি ‘সেনালী কাবিন’ কবিতার সমাজবাদ পর্বগুলো পাঠ করতে বা বোধের জানালা খুলতে সাধারণ মানুষের কাছে কষ্টকর হয়ে পড়েছিলো। সাধারণের এই বোধগম্যের কষ্ট আল মাহমুদ অনুধাবন করতে পরেছিলেন। তাই দেখি ‘বৃষ্টির দোহাই বিবি, তিলবর্ণ ধানের দোহাই/দোহাই মাছ-মাংস দুগ্ধবতী হালাল পশুর’ এরকম কুরানিক ব্যবহার দিয়ে তাদের বোধের জানালা খোলার চেষ্টা করেছেন।

খরস্রোতা নদীতে কিভাবে হাল ধরতে হয়। নদীর বাঁকে বাঁকে কিভাবে নৌকা চালাতে হয় তা ভালোভাবেই করায়ত্ব করেছেন কবি আল মাহমুদ। তেমনি সমাজের বাঁকগুলোতেও তিনি নিজেকে খাপ খাইয়ে সমাজের সমান্তরাল স্রোতে বহমান করেছেন। কবি কাজী নজরুল ইসলামের মতোই তিনি অনুধাবন করেছেন সমাজের মধ্যে থেকেই সমাজের পরিবর্তন করা কল্পনা মাত্র। অলীককল্পনার পেছনে ছুটে ছুটে সমাজবাদীদের মতো ক্লান্ত না হয়ে তিনি ধর্মনির্ভর সমাজ গঠনে ছুটিয়ে দিয়েছেন ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’।

সমাজবাদীরা আজও সমাজকে বুঝে উঠতে পারেনি, আজও তারা সমাজের ধর্মকে আঘাত করার জন্য ওঁৎপেতে বসে থাকে আর সেই সুযোগে সাম্রজ্যবাদীরা উন্মাদের মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে ধাকে ধর্মাবলম্বী ও নিধর্মবাদী সমাজের ওপর। সাম্রজ্যবাদীদের উন্মাদনা আর বিশ্ববিবেকের অচলবস্থা দেখে কবি আল মাহমুদ বলেন, ‘এক ঠ্যাঙে দাঁড়িয়ে আছে জাতিসংঘ বিবেকের বক।’ সমাজবাদীদের আজ অনুধাবন করার সময় এসেছে এই পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনে মুসলিম মনস্কদের সাথে নিয়েই এগুতে হবে। গণতন্ত্রের নামে চাপিয়ে দেয়া জুলুমতন্ত্রকে রুখতে হবে। এখন এই জুলুমতন্ত্রকে রুখতে পারে- ধর্মবোধের শান্তির বাণী। আর বিশ্ববিবেককে তারাই করতে পারে সচল। জাতিসংঘকে এক ঠ্যাঙের বক নয় চাই জাতিসংঘ দুই ঠ্যাঙের বক হবে- সমাজবাদীরা ফিরে আসবে- ধর্মবোধের প্রাঙ্গণে। আর বলবে, ‘কুয়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে আবার আমি ঘরে ফিরবো।’

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

কবিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি। কবি তাঁর আত্মজীবনী নিয়ে একটা বই লিখেছেন। বইটির নামটা মনে আছে?

কবির সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

-

বিনয় জ্ঞানীলোকের অনেকগুলো ভাল স্বভাবের একটি

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)