সাবাস বাংলাদেশ।এগিয়ে যাও।অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম


ইতিহাস পড়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কাকে ৫
উইকেটে হারিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গী হলো মুশফিক বাহিনী। শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২১২
রানের লক্ষ্য ১৭ বল অব্যবহৃত রেখেই টপকে যায় স্বাগতিকরা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
নাজিমুদ্দিনকে (৬) বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান পেসার নুয়ান কুলাসেকারা। দলের
৩৯ রানে আউট হন জহুরুল ইসলাম। সুরঙ্গা লাকমালের বলে মিড উইকেটে তালুবন্দী
হন কাপুগেডারার। এক রান যোগ হতেই দলপতির উইকেটটি হারায় বাংলাদেশ। ১২৫ কিমি
গতির বলে মুশফিকুর রহিমের উইকেট উপড়ে ফেলেন কুলাসেকারা।

চতুর্থ উইকেটে সাকিব আল হাসানকে নিয়ে দলের স্কোরে ৭৬ রান যোগ করে ফিরে
যান তামিম ইকবাল (৫৯)। সেনানায়েককে উড়িয়ে মারতে গিয়ে পয়েন্টে থিরিমান্নের
মুঠোবন্দী হন তামিম। তবে জন্মদিনটা খারাপ কাটেনি তামিমের। ৫৭ বলে ৫৯ রানের
ঝকঝকে একটি ইনিংস উপহার দেন। নয়টি চারে সাজানো ছিল তার ইনিংসটি। দলীয় ১৩৫
রানে এলবিডব্লু`র ফাদে ফেলে সাকিবকেও তুলে নেন সেনানায়েকে। ষষ্ঠ উইকেট
জুটিতে হার না মানা ৭৭ রানে বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে পেৌছে দেন দুই
ব্যাটসম্যান নাসির হোসেন ও মাহমুদু্ল্লাহ।

আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩২ রান তোলে
লঙ্কানরা। তবে বৃষ্টির কারণে পুরো ৫০ ও্ভার খেলতে পারছে না বাংলাদেশ। ৪০
ওভারে সীমিত করা হয়েছে। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে জয়ের জন্য মুশফিকুর
রহিমের দলকে করতে হবে ২১২।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই নাজমুল
হোসেনের বোলিং তোপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। দলের ৩২ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে
বিপাকে পড়তে হয় তাদের। ১৯ রানে অধিনায়কের উইকেটটি হারায় লঙ্কানরা। চতুর্থ
ওভারের শেষ বলে জয়াবর্ধনের উইকেট ভেঙ্গে দেন পেসার নাজমুল হোসেন। ব্যক্তিগত
৬ রানে কুমার সাঙ্গাকারা এক্সটা কভারে নাজিমুদ্দিনের ক্যাচে পরিণত হন।
বোলার এবারো নাজমুল হোসেন। ব্যক্তিগত পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে তিলকারত্নে
দিলশানকে (১৯) বোল্ড করে নিজের তৃতীয় উইকেটটি তুলে নেন নাজমুল।

চতুর্থ উইকেটে চামারা কাপুগেদারা ও লাহিরু থিরিমান্নের ৮৮ রানের
জুটিতে প্রাথমিক বিপদ সামলে ওঠে শ্রীলঙ্কা। এই জুটি উইকেটে ২২.৪ ওভার
অবিচ্ছিন্ন থেকে ইনিংস মেরামত করেন। ব্যক্তিগত অর্ধশতক থেকে দুই রান দূরে
থাকতে রাজ্জাকের বলে থিরিমান্নের (৪৮) উইকেট ভেঙ্গে দেন উইকেট রক্ষক
মুশফিকুর রহিম। তবে হাল ছাড়েননি কাপুগেদারা। থারাঙ্গাকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম
উইকেটে ৪৯ রান করে সাকিবের শিকার হন। ৬২ রানে এলবিডব্লু হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
তবে উপুল থারাঙ্গার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দু`শো রানের ঘরে পেৌছে
লঙ্কানরা। দলের ২০৪ রানে শাহাদাতের বলে উইকেটের পেছনে তালুবন্দী হওয়ার আগে
৪৮ রান করেন থারাঙ্গা। তবে এর আগেই পারভেজ মাহারুফ (৩) ও নুয়ান
কুলাসেকারাকে (১) হারায় শ্রীলঙ্কা। পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লাসিথ
মালিঙ্গা ১০ ও সুরঙ্গা লাকমাল বিনা রানে ফিরে গেলেও ১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন
সুচিত্র সেনানায়েকে।

৩২ রানে তিনটি উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাজমুল হোসেন। এছাড়া
আব্দুর রাজ্জাক ও সাকিব আল হাসান প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নেন। মাশরাফি
মতুর্জা ও শাহাদাত হোসেন একটি করে উইকেট দখল করেন।

বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন এসেছে একটি। চোটের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে
পড়েছেন পেসার শফিউল ইসলাম। তার বদলে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন নাজমুল
হোসেন। পরিবর্তন এসেছে শ্রীলঙ্কা দলেও। দিনেশ চান্দিমালের বদলে লঙ্কান
স্কোয়াডে যুক্ত হয়েছেন কাপুগেদেরা। এছাড়া আরো অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন সচিত্র।

বাংলাদেশ স্কোয়াড : মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, নাজিম
উদ্দিন, জহুরুল ইসলাম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, নাসির হোসেন, মাশরাফি
বিন মুর্তজা, আব্দুর রাজ্জাক, সাহাদাত হোসেন ও নাজমুল হোসেন।

শ্রীলঙ্কা স্কোয়াড : মাহেলা জয়াবর্ধনে (অধিনায়ক), তিলকারত্নে দিলশান,
কুমার সাঙ্গাকারা, উপুল থারাঙ্গা, লাহেরু থিরামান্নে, পারভেজ মাহারুফ,
নুয়ান কুলাসেকারা, লাসিথ মালিঙ্গা, সুরঙ্গা লাকমাল, চামারা কাপুগেদেরা ও
সচিত্র সেনানায়েকে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

সালাম

মাশ-আল্লাহ

সাবাস! সাবাস! সাবাস! বাংলাদেশ। এবার বাংলাদেশ একবার না পারিলে দেখ শতবার, আর শতবারেই কাজ হয়েছে। অভিনন্দন বাংলাদেশ। এগিয়ে যাও  

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

অভিনন্দন বাংলাদেশ টীম।

ধন্যবাদ আলআমীন ভাই, তথ্যবহুল পোস্টের জন্য।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)