বিএনপির ঘুরে দাড়ানোর জন্য প্রয়োজন ছিল একটি জয়!

আওয়ামী লীগের পতনের জন্য তারা নিজেরাই যথেষ্ট কিন্তু বিএনপির উথ্থানের জন্য বিএনপির প্রয়োজন ছিল একটি জয়। আমি খুব ভাল করেই জানি অপেক্ষাতেই রয়েছে বিএনপির প্রক্ৃত উথ্থান, কিন্তু এটা মানতে নারাজ বিএনপির কর্মী সমর্থকেরা। ২০০৮ এর নির্বাচনে মেরুদন্ড ভেংগে যাওয়া এই দলটির সমর্থকরা সময়কে নিজেদের বন্ধু ভাবতে নারাজ। তারা চায় দ্রুত সাফল্য, দ্রুত বিজয়।

 

চট্টগ্রামে বিএনপির কর্মীদের আচরন দেখে মনে হচ্ছে এ যেন অগ্নি পরীক্ষা। অথচ দলীয় সরকারের আমলের দলীয় প্রশাসন যে নিরপেক্ষ হবার সম্ভাবনা নেই - এতো জানা কথা। তারপরেও দেখছি বিএনপির শুভাকাংখীরা আশায় বুক বাধে শুধু একটি জয়ের জন্য। এ জয়টি প্রয়োজন তাদের নিজেদের ঘুরে দাড়ানোর জন্যে।

 

মহিউদ্দীন বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপি আমলে। এত বছর ধরে দায়িত্ব পালনের পরেও তার জনপ্রিয়তায় কোন চিড় ধরেনি - তার প্রমান তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা। স্যালুট তাকে। মন্জুর ঠিক বিএনপির বিশ্বস্ত কোন প্রার্থী নন, তবু ঘুরে দাড়ানোর প্রয়োজনে বিএনপির সবাই একাট্টা হয়েছে তার পেছনে। এদিকে ভোলার মত আরেকটি নির্বাচন করার সাহস বুঝি নির্বাচন কমিশনের ছিল না। তাই অনেকটা অসম্ভব হলেও আমরা দেখছি বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জয়ের পথে চলছেন।

 

এ জয় বিএনপি সমর্থকদের জন্য গলার মালা হয়ে থাকুক। পথ চলার ক্লান্তি দূর করে সামনে এগিয়ে যাবার শক্তিটুকুর জোগান দিক।  

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

"বিএনপির
ঘুরে দাড়ানোর জন্য প্রয়োজন ছিল একটি জয়!"

আমি পুরোপুরি একমত একথার সাথে। একটা এক্সট্রা সাহস যোগ দেবে এখন বিএনপির সাথে যা তাদেরকে মাঠে আরো সক্রিয় করতে পারবে।

এ মুহূর্তে ৮৮ হাজার ভোটে এগিয়ে মঞ্জুর। কিন্তু আরো প্রায় একশ' কেন্দ্রের ভোট গণনা বাকী। অনেকে বলে বাকী কেন্দ্রগুলোতে না কি মহিউদ্দীনের প্রভাব বেশি।

কি মনে করেন? কোনভাবে কি মহিউদ্দীনের ঘুরে দাঁড়ানো কিংবা ফলাফল নিয়ে ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর আর কোন সুযোগ আছে?

-

আড্ডার দাওয়াত রইল।

> > > প্রতি শুক্রবার আড্ডা নতুন বিষয়ে আড্ডা শুরু হবে।

শুধু ভোট গননায় কারচুপিকেই ইলেকশন ইন্জ্ঞিনিয়ারিং বলে না। সেটা অনেকটা রিগিং। ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হল পুরো নির্বাচনকেই যখন ম্যানিপুলেশন করা হয়। যেমন, নির্বাচনী প্রচারনাসহ অন্যান্য বিষয়ে প্রশাসন যখন পক্ষপাত করে। ভোট কেন্দ্র দখলের দিন আমরা পেরিয়ে এসেছি, কিন্তু প্রশাসনের পক্ষপাত এখনও রয়েছে।  ভোটারদের একচেটিয়া সমর্থনেই কেবল বৈরী প্রার্থী বিজয়ী হতে পারে ।  

কিন্তু বিএনপি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি? অবশ্য জামায়াত সাথে থাকলে ভিন্ন কথা। গতরাতে চট্টগ্রামে ফলাফল পাল্টে দেয়ার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যে বিশাল মিছিল হয়েছে তার নেতৃত্ব দিয়েছেন জামায়াত নেতা এম শামসুল ইসলাম। প্রথম আলো এ খবর দিয়েছে।

ঘুরে দাড়ানো নির্ভর করে অনেক ফ্যাক্টরের উপরে। বর্তমানে মানুষজনের সরকারের কাজকর্মের প্রতি অসমর্থনের কারনে বিএনপির অবস্থান দ্রুত শক্ত হচ্ছে। সাধারনের সমর্থনই রাজনৈতিক দলকে টিকিয়ে রাখে। সাধারন মানুষ জামাতকে তেমন একটা সমর্থন করে না, অনেক ক্ষেত্রে বরং নেতিবাচক।  যার ফলে জামাতের সমর্থন বিএনপির জন্য খুব গুরুত্ববহ কিছু নয়। তবে নিজেদের স্বাতন্ত্রকে বজায় রেখে বিএনপি জামাতের সাথে নির্বাচনী জোট করলে তা লাভবান হতে পারে। কিন্তু যদি দেখা যায় জোটের কারনে বিএনপির স্বাতন্ত্র‌্যই বিলীন হয়ে যাচ্ছে, তবে সে জোট গঠন বরং হবে আত্মঘাতী। 

বরো অবাক হলাম।প্রথম আলোকে বিশাশ করবার পুরবে তীরবরতী ভিটেবারি থেকে দ্রুত প্রস্থান করা উচিত। মাতাল তরঙ্গ যেই পাড়ে প্রথম আঘাত হানবে সেটি হবে আমাদেরই।

-

saavy

আওয়ামী লীগ কঠিন একটা মার খেল। খুব ভাল লাগছে লীগদের পরাজয়ে।

-

বিনয় জ্ঞানীলোকের অনেকগুলো ভাল স্বভাবের একটি

বিএনপি কর্মীদের মনোবল ফিরিয়ে আনার জন্য এটা অনেক বড় ভুমিকা রাখবে আসলেই। আর সি সি সি ইলেকশনের প্রভাব সারা দেশের রাজনীতিতে কিছুটা হলেও পড়বে তাতে সন্দেহ নাই। তবে দেখার বিষয় হচ্ছে সরকারী বিরোধিতার মুখেও মঞ্জুর জলাবদ্ধতা, পোর্ট সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান কতটুকু করতে পারে।

১৭ বছরে মহিউদ্দিন সব জায়গায় নিজের লোক বসিয়ে রেখেছে, যারা এখন পদে পদে বিরোধিতা করবে। সামনের পথ খুব সহজ না মঞ্জুর/বিএনপির জন্য।

মঞ্জুর জন্য মুল চ্যালেঞ্জ হলো, বিএনপি'র নেতাদের অন্যায় আব্দার রাখা। এটা করতে করতে উনি প্রথম ক'দিন হয়রান থাকবেন, নিশ্চিত।

এই জয়টা বিএনপি'র জন্য মনোবল বৃদ্ধির কাজ করবে, তবে সন্দিহান হবার যথেষ্ঠ কারন আছে।

আরো গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হলো, আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রতিক্রিয়া। প্রধানমন্ত্রী মঞ্জুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আশরাফুল বিবৃতি দিচ্ছেন,হানিফের বিবৃতি পড়লে মনে হয় দুটো বিষয়। এক. হয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক কালচার বদল যাচ্ছে দুই. বিএনপি নতুন কোন ট্র্যাপে পা দিয়েছে।

মানুষ দলগত হোক আর ব্যক্তিগত পর্যায়ে হোক একটা জয় চায়, সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি অর্জনের জন্য। বিএনপির যেন তাই হয়, সামনে এগিয়ে যাক বিএনপি।

-

স্বপ্নই দেখি! বাস্তব হয় না।

কিছুদিন পর মনজুর আওয়ামী লীগে ফিরে গেলে অবাক হবো না। একটা সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে হয়তো বলবে, সরকারী দলে না থাকলে উন্নয়ন করা সম্ভব না। তাই নগরবাসীর স্বার্থে আওয়ামী লীগে ফিরে গেলাম।

এই মেয়র নির্বাচন তো আসলে পুরোপুরি রাজনৈতিক নয় ............। এছাড়া মনজুর তো আওয়ামী লীগ থেকেই আসা। যা হোক, বিএনপির আত্ম বিশ্বাসের জন্য এই জয়ের প্রয়োজন ছিল। মনজুরের জয়ের ফলে প্রশাসনে একচেটিয়া দলীয়করন হয়ত কমবে কারন তিনি আসলে দুই দলেরই সংমিশ্রন!!!!!!!!!

 

পুরোপুরি রাজনৈতিক না হলেও দেশবাসীর কাছে প্রচারে কিংবা বাস্তবতায়, যেভাবেই হোক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে দেশের প্রধান দু'টি রাজনৈতিক শক্তির লড়াই হিসেবে। প্রতিটি প্রচার মাধ্যমও এটিকে ফলাও করে প্রচার করেছে যে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত মহিউদ্দীন এবং বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত মঞ্জুরুল আলম ইত্যাদি বলে।

তাই দেশের মানুষের নিকট এখন একটি এলাকার একজন মেয়রের পরাজয় নয় মাত্র এটি; বরং একটি এলাকায় সামগ্রিকভাবে আওয়ামীলীগের পরাজয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আমি প্রবাসেও এমন জনমতই দেখছি।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

এইটাই বিএনপি এবং বিরোধী দলের বড় প্রাপ্তি। যদিও নির্বাচনটি পুরো রাজনৈতিক নয়, কিন্তু তবুও এর সাথে ওতপ্রোতভাবে রাজনীতি জড়িত। 

 

 

 

এসে পড়ে আবার চলে গেলাম... দেশী রাজনীতি কম বুঝি কি না! 
(আবার ফিরে আসলাম বলতে, পড়েছি!)

রাজনীতি বিমূখ হওয়াটা অনেক সময় বাচিয়ে দেয়!!!!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)