জুতা পলিশওয়ালা থেকে কোটিপতি!

জুতা পলিশওয়ালা থেকে একেবারে কোটিপতি বনে গেছেন রাইস গেলফন্ড! ৮ বছর বয়সে পেটের দায়ে মানুষের জুতা পলিশ শুরু করেন রাইস। কিছুদিন পর ব্যবসায় নামেন। এখন তিনি বিশ্ববিখ্যাত থ্রিডি সিনেমা চেইন আইম্যাক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বিবিসি অনলাইনের খবরে রাইসের এ সাফল্যের কাহিনী ওঠে আসে। রাইস তখন স্কুলে পড়তেন। মাত্র ১৬ বছর বয়স। জুতা পলিশের কাজ ছেড়ে নিউইয়র্ক থেকে পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেন তিনি। অল্প সময়ে তার পত্রিকাটির প্রচার সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজারে পৌঁছায়। ফলে বড় বিজ্ঞাপনদাতাদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় পত্রিকাটি। তবে পত্রিকার ব্যবসা বেশি দিন টানেননি রাইস। এদিকে ব্যবসার পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে গেছেন তিনি। ১৯৭৬ সালে নিউইয়র্কের স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে øাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ল থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নেন। এরপর একটি আদালতে কেরানির কাজ শুরু করেন। একটি ল ফার্মে আইনজীবী হিসেবেও কাজ শুরু করেন তিনি।
পরে আইন পেশা ছেড়ে আবার ব্যবসায় নামেন রাইস। এতদিনে বেশকিছু টাকাও সঞ্চয় হয়েছে। শুরু করেন ড্রাই ক্লিনিং চেইনের ব্যবসা। ব্যবসা সফল হলে একপর্যায়ে তা বিক্রি করে দেন। ১৯৮৮ সালে যোগ দেন আরেকটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে। সেখানে পরিচয় হয় ব্রাড ওয়েকসলারের সঙ্গে। ওয়েকসলারকে নিয়ে ১৯৯৪ সালে থ্রিডি সিনেমা চেইন আইম্যাক্স কিনে নেন রাইস। এরপর বক্স অফিস চলচ্চিত্র ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) পর্যায়ে রূপান্তর করার কৌশল উদ্ভাবন করে আইম্যাক্স। ফলে ক্রমে থ্রিডি চলচ্চিত্র জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
রাইস জানান, বিশেষ করে তিনটি চলচ্চিত্র আইম্যাক্সের ইতিহাস বদলে দিয়েছে। এগুলো হল ফ্যান্টাসিয়া, থ্রিডি পোলার এক্সপ্রেস এবং জেমস ক্যামেরনের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নির্ভর ‘অ্যাভাটার’। নিজেদের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে রাইস জানান, ২০০৮ সালে আইম্যাক্সের মাত্র ১৫০টি থিয়েটার ছিল। কিন্তু এখন তা ৭ শতাধিক।
 জুতা পলিশওয়ালা থেকে একেবারে কোটিপতি বনে গেছেন রাইস গেলফন্ড! ৮ বছর বয়সে পেটের দায়ে মানুষের জুতা পলিশ শুরু করেন রাইস। কিছুদিন পর ব্যবসায় নামেন। এখন তিনি বিশ্ববিখ্যাত থ্রিডি সিনেমা চেইন আইম্যাক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। বিবিসি অনলাইনের খবরে রাইসের এ সাফল্যের কাহিনী ওঠে আসে। রাইস তখন স্কুলে পড়তেন। মাত্র ১৬ বছর বয়স। জুতা পলিশের কাজ ছেড়ে নিউইয়র্ক থেকে পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেন তিনি। অল্প সময়ে তার পত্রিকাটির প্রচার সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজারে পৌঁছায়। ফলে বড় বিজ্ঞাপনদাতাদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় পত্রিকাটি। তবে পত্রিকার ব্যবসা বেশি দিন টানেননি রাইস। এদিকে ব্যবসার পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে গেছেন তিনি। ১৯৭৬ সালে নিউইয়র্কের স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে øাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ল থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নেন। এরপর একটি আদালতে কেরানির কাজ শুরু করেন। একটি ল ফার্মে আইনজীবী হিসেবেও কাজ শুরু করেন তিনি।
পরে আইন পেশা ছেড়ে আবার ব্যবসায় নামেন রাইস। এতদিনে বেশকিছু টাকাও সঞ্চয় হয়েছে। শুরু করেন ড্রাই ক্লিনিং চেইনের ব্যবসা। ব্যবসা সফল হলে একপর্যায়ে তা বিক্রি করে দেন। ১৯৮৮ সালে যোগ দেন আরেকটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে। সেখানে পরিচয় হয় ব্রাড ওয়েকসলারের সঙ্গে। ওয়েকসলারকে নিয়ে ১৯৯৪ সালে থ্রিডি সিনেমা চেইন আইম্যাক্স কিনে নেন রাইস। এরপর বক্স অফিস চলচ্চিত্র ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) পর্যায়ে রূপান্তর করার কৌশল উদ্ভাবন করে আইম্যাক্স। ফলে ক্রমে থ্রিডি চলচ্চিত্র জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
রাইস জানান, বিশেষ করে তিনটি চলচ্চিত্র আইম্যাক্সের ইতিহাস বদলে দিয়েছে। এগুলো হল ফ্যান্টাসিয়া, থ্রিডি পোলার এক্সপ্রেস এবং জেমস ক্যামেরনের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নির্ভর ‘অ্যাভাটার’। নিজেদের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে রাইস জানান, ২০০৮ সালে আইম্যাক্সের মাত্র ১৫০টি থিয়েটার ছিল। কিন্তু এখন তা ৭ শতাধিক।
 

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None