রাসূলের মধ্যে আছে উত্তম আদর্শ

sl  

 

 

   অনেক  মুসলমান  এটা বলতে  ভালবাসে যে   আমি কুরআন মানি ,  কিন্ত্ত   হাদীস মানি  না ।    তারা  দাবী করে    কুরআন  পাঠই  যথেষ্ট ,  হাদীস  না পড়লে  কোন  ক্ষতি  নেই  ।   সত্যিই  কি তাই ?   হাদীস   কেন  পড়বো  ?   

 

 

কুরআনে  আছে    সালাত   / নামাজের কথা   কিন্ত্ত    কিভাবে এই সালাত আদায়  করতে  হবে , কয়বার  তা পড়তে   হবে ,  সেসব  জানতে  হলে পড়তে  হবে হাদীস ।

  আল্লাহ    কুরআনে  আদেশ  দিয়েছেন    যাকাত   দিতে ।    এই  যাকাত     টাকা , জমি ,  সম্পত্তির   উপর  কি  পরিমাণ   দিতে   হবে  ,  তার ব্যাখ্যা  আছে   হাদীসে  ।     

 

কুরআন  নির্দেশ  দেয়  কাজের  লোকদের সাথে  ভাল  ব্যবহার   করতে ।    রাসূল  صلى الله عليه وسلم     নিজের  জীবনে  তা করে    দেখিয়েছেন  ও অন্যদের   উপদেশ  দিয়েছেন  কিভাবে  তা  করতে হবে ।  যেমন  , কাজের লোকদের  কেউ  মারধর  করলে   তিনি বলতেন ,  তুমি যদি  তোমার  দাসের  অপরাধ   মাফ  না করো , তাহলে  কিয়ামতের  দিন  কিভাবে আশা করবে  আল্লাহ  তোমার  অপরাধ মাফ করবেন ?

 

 

 

   

অনেকেই  কাজের   লোককে  সময়মতো  খেতে  দেয়  না  বা   কাজে  ভুল  করলে  না  খাইয়ে  শাস্তি  দেয়  ।    

রাসূল  صلى الله عليه وسلم       সাবধান করে  বলেছেন  ,       পাপের জন্য  এটাই যথেষ্ট  যে  একজন  তার  অধীনে  যারা আছে  তাদেরকে    সময়মতো  খেতে   দেয় নি

 

 

  রাসূল  صلى الله عليه وسلم বলেছেন  :  অবশ্যই   কাজের  ফলাফল  ইচ্ছা বা   নিয়তের  উপর  নির্ভরশীল  ;  একজন মানুষ  তাই  যা  সে  নিয়ত  করে । 

দান  ,   জিহাদ ,  জ্ঞান চর্চা    ইত্যাদি  সবকিছু করতে  হবে  আল্লাহকে   খুশী করার জন্য ।  হাদীসকে   অস্বীকার  করলে  আল্লাহ   কি  খুশী  হবেন ?   

  

 আল্লাহ    এই      মহাজগতের    কোটি  কোটি  জিন , ফিরিশতা  ও   মানুষের  মধ্য   থেকে  যাকে   তাঁর   শেষ  রাসূল   হিসাবে  পছন্দ করেছেন  ও যার  মধ্য  দিয়ে   তাঁর   দ্বীনকে সম্পূর্ণ  করেছেন ,  সেই   রাসূল    صلى الله عليه وسلم   এর   কথা  ও  কাজকে  আমরা   কেন  প্রত্যাখান করবো ? 

আমরা  কি  তবে আল্লাহ  ও  তাঁর রাসূল  صلى الله عليه وسلم   এর     থেকে  বেশী     বুদ্ধিমান  ?

  

আমরা    খামোকা যেন   হাদীস  নিয়ে  বিতর্কে  জড়িয়ে  পড়ে   মুসলমানদের  মধ্যে   বিভেদ সৃষ্টি  না করি  , আল্লাহ  হেদায়েত করুন ।

 

 

 

 

  “  তোমাদের   মধ্যে   যারা আল্লাহ   ও   আখিরাতকে  ভয়   করে  ও  আল্লাহকে  বেশী  স্মরণ  করে , তাদের  জন্য   রাসূলের  মধ্যে  আছে  উত্তম  আদর্শ  (  সুরা   আহযাব ; ৩৩ : ২১ ) ।

 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

লেখার বিষয়টি অনেক উত্তম। 

হাদীসগুলোর সূত্র উল্লেখ করলে ভালো হত। এখন কিন্তু সূত্র উল্লেখ করা খুব কঠিন নয়।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

sl

খলিফা উমর   رضي الله عنهم       একদিন মিম্বরে  দাড়িয়ে  বলেন :   

 রাসূল  صلى الله عليه وسلم বলেছেন  :  অবশ্যই   কাজের  ফলাফল  নিয়তের  উপর  নির্ভরশীল  ;  একজন মানুষ  তাই  যা  সে  নিয়ত  করে  । 

 তাই   যে  আল্লাহ  ও  তাঁর  রাসূল صلى الله عليه وسلم   এর  জন্য  হিজরত  করে  ,    তার  হিজরত   এদেরই  জন্য    আর   যে  হিজরত  করে  দুনিয়াতে  কোন  লাভের জন্য  বা  কোন নারীকে বিয়ের  জন্য  ,  তার হিজরত  সেজন্যই 

 ( বর্ণনায়  ইমাম  বুখারী   , সূত্র  আলকামাহ  বিন  ওয়াকাস আল  লায়থি ) ।

খায়তামাহ  বলেন  ,  আমরা  একদিন  আবদুল্লাহ  বিন  উমরের  সাথে ছিলাম  ।  তার  কোষাগারের   কর্মচারী  সেখানে  আসলে   তিনি জানতে  চান  -   দাসদের  খাবার  দিয়েছ ? 

 না উত্তর  শুনে তিনি  বললেন , যাও , ওদের খেতে  দাও ।

  রাসূল  صلى الله عليه وسلم  বলেছেন :   পাপের জন্য  এটাই যথেষ্ট  যে  একজন  তার  অধীনে  যারা আছে  তাদেরকে    সময়মতো  খেতে   দেয় নি  ( সহীহ  মুসলিম )।

সূত্র: 

The Manners of the Knowledge Seeker

. Author: Abu 'Abdillah Muhammad Sa'id Raslan |

http://www.kalamullah.com/knowledge.html

 

sl

 

মতামতের জন্য ধন্যবাদ ।   ইনশাআল্লাহ  হাদীসের  সূত্রগুলি   পরে উল্লেখ করবো ।  কালকে  'হাদীস মানি না '   - এরকম একটা  ই-মেল পেয়ে    তার উত্তর   দিচ্ছিলাম । পরে মনে হলো  এখানেও  পোস্ট করে  দেই ।

 

এ  সব  বিষয়  নিয়ে  লেখার জন্য  আসলে  অনেক  জ্ঞান ও  ধৈর্য  দরকার , আল্লাহ   তওফীক দিন ।

 

আপনের লেখাগুলার মাঝখান এত লম্বা লম্বা ফাঁকা থাকে কেন?

তবে ভাল লেখা।

sl

এখানে  পোস্ট  করার  নিয়ম ( ফরম্যাট কিভাবে করতে হবে তা ) এখনো  বুঝে উঠতে পারি  নি ।  দুই প্যারাগ্রাফের মধ্যে  ফাঁক  কখনো একদমই আসে না , কখনো বেশী হয়ে  যাচ্ছে ।

 

 

 

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)