বাল্যবিবাহের নামে যৌন হয়রানি কিংবা স্ত্রী-নির্যাতন-১ম পর্ব






তাহানী, রজনী, সুনীল, নজুদ, জারকা এবং আমাদের রুমানা- এই নামগুলোর সাথে ভিন্ন ভিন্ন জাতি, 

ধর্ম ও স্থান-কালের সম্পর্ক কিংবা পরিচিতি ফুটে উঠলেও তাদের নিয়তি যেন একই সূত্রে গাঁথা। তাদের 

অমানবিক অবস্থার কথা মনে হলেই যে ধরনের আন্ধা-রীতি বা দুর্গতির চিত্র ফুটে ওঠে, প্রকৃত অর্থে তার সাথে ধর্মের কি আদৌ কোন সম্পর্ক থাকতে পারে? মানবতা রক্ষার স্বার্থে এবং ধর্মান্ধতা দূর করার জন্য এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার অবশ্যই প্রয়োজন আছে। ধর্মের নামে স্বার্থবাদী প্রতারণা কিংবা 

অতিরঞ্জিত আরোপ করলে অথবা ধর্মীয় স্পষ্ট বিধানকে উপেক্ষা করলেও যে শান্তির পরিবর্তে জীবনে 

অশান্তি ছাড়া আর কিছুই জোটে না, এমনকি বিপর্যয় নেমে আসতে পারে- এই ঘটনাগুলো থেকে 

পরোক্ষভাবে সে শিক্ষাই মেলে।

এ পৃথিবীর কোন স্থানের মানুষ ধর্ম মানুক বা না মানুক, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সর্বকালেই এবং 

সর্বস্থানেই জাগ্রত বিবেক ও আইনের সুষ্ঠ প্রয়োগের বিকল্প নেই । কোন অন্যায় ও অত্যাচারের কারনে 

মানবতা যখন হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়ে তখন কঠোর হাতে আইন প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। আপাত দৃষ্টিতে দোষীকে সাজা দেবার আইনটি যতই কঠোর মনে হোক না কেন তা 

অমানবিক মনে করাটা যেমন অযৌক্তিক, তেমনি অমানবিক কর্মকে ধর্ম কিংবা মানবতার গান গেয়ে 

প্রশ্রয় দেয়াটাও ভন্ডামী ছাড়া আর কিছুই নয়। কোন অমানবিক কর্মকে আইনের মারপ্যাচে প্রতিষ্ঠা 

করার অপচেষ্টা করা হলে যেমন তাকে আন্ধা-কানুন বা কালা-কানুন বলা যেতে পারে। তেমনি ধর্মের 

নামে নিষ্পাপ মানুষকে নিষ্পেষিত করার যে কোন রীতিকে অধর্মই বলতে হবে। ধর্মীয় বিধান হোক 

কিংবা ধর্ম-নিরপেক্ষ আইন হোক- তার অবস্থান সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে হলে মানবতা রক্ষা পাবার 

সম্ভাবনাই বেশি থাকে এবং এটাই স্বাভাবিক। ধর্মের সাথে সরাসরি স্রষ্টার নিগূঢ় সম্পর্ক বিদ্যমান, আর 

স্রষ্টা সর্বদা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও মানবতা রক্ষার পক্ষে মানুষের জন্যই ধর্মের অবতারণা করেছেন। সুতরাং 

ধর্মের নামে মানবতা বিবর্জিত যে কোন রীতির সাথে স্রষ্টা প্রদত্ত খাঁটি ধর্মের কোন সম্পর্কই থাকতে 

পারেনা। যদি সমাজে ধর্মের নামে এরূপ কোন রীতি চালু থকে, তবে সেটিকে স্বার্থবাদী মানুষের রচিত 

কুসংস্কার অর্থাৎ অধর্মই বলতে হবে। 

মানুষের মন বৈচিত্রময়। কথায় বলেনা- "যার মনে যারে লাগে ভাল"। বয়সের বড় ব্যবধান সত্বেও যদি 

কোন নারী বা পুরুষ একে অপরকে পছন্দ করে এবং বিয়ে করে সুখি হতে চায় বা পারে, তাতে তো 

কারও কোন আপত্তি থাকার কথা না। আপত্তির প্রশ্ন আসে তখনই, যখন বিকারগ্রস্ত যৌন বাসনা 

মেটানোর জন্য বালিকাবিবাহ করাকে ধর্মীয় রীতি বানিয়ে পুণ্য অর্জনের ঢেকুর তোলার পায়তারা করা 

হয়। অনেক সময়ই দেখা যায় পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি ও গোত্রের সমাজ ব্যবস্থায় বিবাহ কি জিনিস তা 

বোঝার মত জ্ঞান-বুদ্ধি হবার আগেই বিয়ের নামে কচি অবুঝ শিশুকে বলতে গেলে এক রকম জোর 

করেই কোন এক মাঝবয়সী কিংবা বৃদ্ধের গলায় ঝুলিয়ে দিতে আপনজনেরা কুন্ঠাবোধ করে না। হায়! 

এক্ষেত্রে কনের সম্মতি বা অসম্মতির কোন তোয়াক্কা তো করাই হয় না, বরং ধর্মের নামে পুণ্য কামাই 

করার নেশায় তাদের অধিকার হরণের সকল পন্থা অবলম্বন করা হয়। ধর্মান্ধ মানুষ এতটাই অন্ধ হয়ে 

যায যে, বিয়ের শর্ত অনুসারে সম্মতি/অসম্মতির তোয়াক্কা তো করাই হয় না, এমনকি একটা হারাম 

উপায় অবলম্বন করে তদের পায়ে যৌন বেড়ি পরিয়ে গুনাহের পথ বেছে নিতেও কুন্ঠিত হয়না। বরং 

ধর্মের নামে পুণ্য কামাই করার নেশায় তাদের অধিকার হরণের সকল পন্থা অবলম্বন করা হয়। 

যেহেতু একজন মুসলিম হিসেবে আপন সমাজের এই অন্ধকার দিকটি আমাকে খুবই পীড়া দেয়। তাই 

অন্য কোন সমাজের রীতি সম্পর্কে বলার আগে আমার সমাজে বিরাজমান এই ভ্রান্ত রীতির রহস্য 

উন্মোচন করার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। আশা করি এ সম্পর্কে অন্য ধর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণও 

তাদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করবেন। (ক্রমশ চলবে)

আপনার রেটিং: None

বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কথা বলেন কিন্তু বাল্য প্রেমের নামে মাগীবাজী, বেহায়াপনার বিরুদ্ধে কথা বলেন না কেনো?

যারাই আজ বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে কথা বলছেন তারাই আসলে প্রেমের নামে নারীদের পণ্যের মতো ভোগ করতে চায় । আর তাদের কারনে আজ পুরো পৃথিবী হুমকির মুখে বিভিন্ন রোগ এবং আল্লাহ তা’য়ালার গজবের দ্বারা ।

একটা মেয়ের 9-17 বছর বয়সে বিয়ে দিলে তা কখনো বাল্য বিবাহ হয় না ।

প্রাপ্ত বয়সের আগে বিয়ে দিলে মেয়ের সম্মতি লাগে না তবে প্রাপ্ত বয়স্ক হলে অবশ্যই সম্মতি না নেওয়া হলে বিয়ে হবে না । আর বিয়ে না হলে যৌন মিলন করলে সেটা হবে যিনা । আর একটা মেয়ে 9 বছরের হলেই সে সম্মতি প্রদানের জন্য সক্ষম ।

..হযরত আয়শা (রা:) এর বিয়ে হয়েছিলো মাত্র 6 বছর বয়সে । যদি আপনি এই বয়সে বিয়ে দেওয়ার বিরোধী হন তাহলে আপনি রাসূল (সা:) কে দোষ দিচ্ছেন (নাউযুবিল্লাহ) ।

স্কুল কলেজে গিয়ে খোজ নিন ক্লাস নাইন কিংবা টেন এ পড়া ছেলে বা মেয়েরা প্রেমের নামে নোংরামিতে লিপ্ত ।
পশ্চিমা সহ প্রায় সব দেশেই মেয়েদের কুমারিত্ব হারাচ্ছে স্কুলের গন্ডি পার হওয়ার আগে ।
...যদি আপনি চান আপনার বোন স্কুলের গন্ডি পার হওয়ার আগে বোখাটে প্রেমিকের দ্বারা কুমারিত্ব হারাক তাহলে আপনি আপনার বোনের যত দিনে ইচ্ছা বিয়ে দিয়েন । আমরা মুসলিমরা দিবো না ।

...কুরআন হাদীস পড়ে যাদের জীবন পার হয়ে যায় তাদের ভুল ধরতে আসে ঐ সমস্ত লোক যারা কোন দিন কুরআন হাদীস ভালো ভাবে অর্থ বুঝে পড়ে নাই । তাদের অবস্থা হলো খালি কলশি বাজে বেশি । এমনকি তারা বিজ্ঞান সম্পর্কেও জ্ঞান রাখে না , তারা শুধু জ্ঞান রাখে কিভাবে ভোগ করা যায় এবং ভোগ করার নতুন নতুন কৌশল খুজে এবং সেই কৌশলকে কাজে লাগানোর জন্য ধর্মকেও গালগালি করে তার মানে হচ্ছে তারা পক্ষান্তরে আল্লাহ তায়ালা এবং রাসূল (সা:) কে গালাগালি করে (নাউযুবিল্লাহ) । আলেমদেরকেও গালাগালি করে । এরা হলো নামে মুসলিম ।

আপনি কি জানেন 15-25 বছর বয়সের ছেলেরা বেশি পতিতালয়ে গিয়ে থাকে ।
আপনি যদি চান আপনার বোনের বিয়ে দিতে একজন পতিতালয়গামী ছেলের সাথে তাহলে আপনি দিয়েন ।আমরা দিবো না ।

আপনি উপরে রুমানার পক্ষে হয়ে কথা বলছেন, যে পরকিয়ায় লিপ্ত ছিলো । তার স্বামী থাকা সত্বেও বাহিরের দেশে গিয়ে সে ব্যভিচারে লিপ্ত ছিলো। হায় আফসোস !

স্বামী যদি ভালো না লাগে তাহলে তালাক দিক কিন্তু স্বামী রেখে তাকে ঠকিয়ে অন্য জনের সাথে পরকিয়া কেনো ?

..আপনি রুমানার মতো নারীকে সাপোর্ট করেন এর মানে দাড়ালো আপনি একজন সেকুলার, লাল সালামের নামধারী ভন্ড মুসলিম ।

বুঝে গেছি আপনি আপনার স্ত্রীকে পরকিয়া করতে অনুমতি দিবেন ।

...বিয়ে মানে শুধু যৌনতা নয়, বিয়ের একটি বড় কারন হলো ‘‘মানসিক প্রশান্তি’’
।  যে মানসিক প্রশান্তি লাভ করার জন্য আজকাল ছেলে মেয়েরা বৈধ পথ না থাকায়
অবৈধ পথে গিয়ে মানসিক প্রশান্তি লাভ করে, যেটা এক প্রকার যেনা ।  আপনাদের
মতো মাথামোটা কিছু মানুষরাই তাদেরকে যিনা করতে বাধ্য করছে তাই এর শাস্তি
আপনারাও পাবেন ।

..যদি বিয়েতে কোন বাধা না থাকতো তাহলে তারা মানসিক প্রশান্তি লাভ করতো
নিজের স্বামী বা স্ত্রীর কাছেই ।  অন্য কোন বেগানা মেয়ে বা ছেলের সাথে
প্রেম করতো না, নিজের স্বামী বা স্ত্রীর সাথেই প্রেম করতো । 

রাসূল (সা:) এর সময়ে অবৈধ প্রেম জাতীয় কাজকারবার ছিল পাহাড়ের সমান ভারী
আর বিয়ে ছিলো খবই সহজ কিন্তু আজ বিয়ে হয়ে গেছে পাহাড়ের সমান ভারী আর অবৈধ
প্রেম হয়ে গেছে খবই সহজ, চাইলেই করা যায় ।
...একটা ছেলে যদি অবৈধ প্রেম করে তাহলে তাকে কেউ কিছুই বলে না কিন্তু ঐ
ছেলেটাই যদি অবৈধ প্রেম না করে বৈধ প্রেম করতো অর্থাৎ বিয়ে করতো তাহলে সবাই
তাকে বিভিন্ন কথা বার্তা বলতো, তাকে শান্তিই দিতো না, এমনকি জেলে যেতে হতো
।  কারন ছেলেটি আল্লাহ তা’য়ালার আদেশ পালন করেছে ।  আর যারাই আল্লাহ
তা’য়ালার আদেশ পালন করার কারনে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবে তারা মুনাফিক, কাফের ।

..মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামিন প্রত্যেকটি জীবকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন যাতে হৃদয়ঙ্গম করতে পারে । 

আপনি আপনার পোস্টে বয়স্ক লোকের সাথে অল্প বয়স্ক মেয়ের বিয়ে নিয়ে কথা
বলেছেন । আপনাকে কি কেউ বাধ্য করেছে আপনার অল্প বয়স্ক বোনের বিয়ে দিতে কোন
বয়স্ক লোকের সাথে ??? আপনি অল্প বয়স্ক বোনের বিয়ে দিন অল্প বয়স্ক ছেলের
সাথে ।

আসল ব্যপারটা হলো আপনারা মাথামোটা ।

Rate This

আপনার রেটিং: None