মাথায় স্কার্ফ পরে ফুটবল খেলতে পারবেন মুসলিম মেয়েরা : ফিফা

 মুসলিম মেয়েদের মাথায় স্কার্ফ পরে ফুটবল খেলার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা-ফিফা।

জুরিখে ফিফা সদর দপ্তরে ফুটবলের আইন প্রণয়নে নীতিনির্ধারণী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (ইফাব) বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মুসলিম মেয়েদের স্কার্ফ ব্যবহারের ওপর ২০০৭ সালে ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে ফিফার সাধারণ সম্পাদক জেরোমে ভালকে বলেন, “মাথায় স্কার্ফ ব্যবহারে নিরাপত্তার ঝুঁকি নেই বলে চিকিৎসকরা মত দেয়ায় এটি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।”

এর আগে, স্কার্ফ ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ হিসেবে ইফাব যুক্তি দেখিয়েছিল যে, “এটি ব্যবহার মেয়েদের জন্য অনিরাপদ। বিশেষ করে এতে গলায় চোটের ঝুঁকি থাকে।” অবশ্য অনুমোদন দেয়ার আগে ইফাব নতুন ডিজাইনের ভেলক্রো হিজাব ব্যবহারের নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনায় নেয়। ভেলক্রো হিজাব ব্যবহার নিরাপদ এবং এতে চোটের তেমন ঝুঁকি নেই বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত দেন।

আরব দেশগুলো এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন ফিফার নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। এএফসির সাধারণ সম্পাদক অ্যালেক্স সুসে বলেন, “আমাদের জন্য এটা শুভ সংবাদ। এতে এএফসির দেশগুলো উপকৃত হবে। এটা মুসলিম দেশগুলোর জন্য ভালো হবে।” কুয়েত ফুটবল ফেডারেশনের ওম্যান স্পোর্টিং কমিটির সভাপতি শেখ নাইমা আল-সাবাহ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন,”আমরা এ সিদ্ধান্তের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম। এতে মেয়েদের প্রতি সুবিচার হয়েছে।”

২০০৭ সালে নিরাপত্তার অজুহাতে কানাডায় ১১ বছরের মেয়েদের হিজাব ব্যবহার করতে বাধা দেয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর চাপের মুখে ছিল ফিফা। এ ছাড়া, মাথায় স্কার্ফ ব্যবহারের কারণে গত বছর অলিম্পিক গেমসের বাছাইপর্বে জর্দানের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগ মুহূর্তে ইরানি দলকে খেলার অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় শুরু হয় মুসলিম বিশ্বে।

স্টেটনিউজবিডি.কম

http://www.statenewsbd.com/?p=15794

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

সালাম

 

যারা  খেলাধূলায় আগ্রহী  কিন্ত্ত  এই  নিষেধের জন্য   হিজাব করে  খেলতে পারছিলেন না ,  তাদের  জন্য  নি:সন্দেহে সুখবর এটি ।

পরিণাম শুভ মনে করছি না।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

সালাম

 

আমার জানামতে    ফিফার সাহায্য  পেতে  হলে  বা  ফিফা  আয়োজিত  যে কোন  প্রতিযোগিতায়  নাম দিতে হলে  একটি দেশকে    তাদের  মেয়েদের  জন্যও    ফুটবল খেলার   আয়োজন রাখতে  হবে -  এই  শর্ত  মানতে হয় ।   তা   না  হলে   সে দেশের পুরুষরাও    ফিফার  প্রতিযোগিতায়  অংশ  নিতে পারবেন  না  বা  সে  দেশ  ফিফর আর্থিক  সহযোগিতা  পাবে  না ।

এতদিন   হিজাবের  উপর  নিষেধ  থাকায়  মহিলা  দলের  খেলোয়াড়দের  সমস্যা হচ্ছিলো  আবার  ফিফার  শর্ত  থাকায়    একটি দেশ   মহিলা দলও গঠন  করতে বাধ্য  ছিল । তাই  এটা  মন্দের  ভাল ।   তবে  মহিলাদের জন্য  আলাদা   ষ্টেডিয়াম  , শুধু মহিলা  দর্শকের  জন্য  আয়োজনের ব্যবস্থা  করলে  খুব ভাল হয় ।  আশা করি  ভবিষ্যতে  এসব সুবিধাও  পাওয়া  যাবে ।

সালাম

মানুষ বে বিষয় নিয়ে যতবেশি প্যাচাবে আল্লাহ ও ততবেশি প্যাচের মধ্যে ফেলে রাখবেন। যেমন বনী-ইসরাইল সম্প্রদায়ের লোকেরা আল্লাহর সাথে নানান বিষয়ে প্রশ্ন করেছে, আল্লাহও তাই করেছে তাদের ব্যপারে।

যেখানে মহিলাদেরকে আস্তে পা ফেলে হাটার কথা বলা আছে, সেখানে ফুটবল নিয়ে দৌড়ানো, সত্যি পৃথিবীটা আখেরী জামানার শেষ প্রান্তে এসে পৌছেছি।

আল্লাহ সব মুসলমানকে আ'ম ভাবে হেদায়াত নসীব করুন। 

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)