সাবধান!! সাবধান!! সাবধান!! একটি শিশু থেকে অপরটিকে মুক্ত রাখেন!!

অবাক বিষয়! আমি নিজেও যেন মুচরে পড়েছি শুনে তবুও সবার যদি উপকার হয় সেজন্য এস বি ব্লগেও শেয়ার করেছি এখন বিসর্গতেও শেয়ার করছি। এই পোষ্ট খানি পড়ে যাদের একের অধিক সন্তান আছে তারা খুবই কেয়ার ফুল থাকবেন অপরটি থেকে কারন একটি শিশুই অপর শিশুটিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে সেটা আপনি আমি সহজে বুঝবো না। তবে যখন ঘটনা ঘটে যায় তখন আর কিছুই করার থাকেনা। তেমনি একটি বাস্তব ঘটনা শেয়ার করছি আপনাদের সাথে।

(ক) আমার চাচাতো ভাই, ছোট চাচার ছোট ছেলে, বয়ষ এক বছর এক সপ্তাহ, তবে দাড়াতে পারে, কিছু ধরে হাঁটতে পারে, খেলতে পারে, এই ছোট শিশুটিই পুরো বাড়িকে হেঁসে খেলে আনন্দে ভরে রাখে সব সময়। কিন্তু গত ৩১ শে অক্টোবর চাচার বড় ছেলেটি, বয়ষ ছয় বছর দুই মাস চলছে, সে তাঁর ছোট ভাইকে খেলতে খেলতে খাট থেকে কোলে করে ফেলে দেয় আর তখন থেকেই আমার ছোট ভাইটির

শরীর সম্পুর্ণ নিথর হয়ে যায়, সে আগের মত হাসেনা, খেলেনা, এমন কি কাঁদেও না, বাসায় আমার চাচী ও দাদী মিলে মাথায় পানি দিয়ে, হাতে পায়ে, তেল মালিশ করে তাকে কিছুটা স্বাভাবিক করে তোলে, তখন তারা মনে করে যে, মুস্তাকিম ঠিক হয়ে গেছে, না মুস্তাকিম ঠিক হয়নি, সে দু, একদিন পরেই দুই তারিখে দুপুরে ভাল ভাবেই ঘুমায় কিন্তু ঘুম থেকে জেগে আর নড়া-চড়া নেই, মুখে হাসি নেই, খেলা

নেই, সে পড়ে আছে ফ্যাল ফ্যাল চোখে যেন আমরা সবাই নতুন মুস্তাকিমকে দেখছি, তার সাথে গত কয়েকদিন আগের ভাইটিকে কোন ভাবেই মেলানো যাচ্ছে না। সবার তো চোখে বাঁধ ভাঙা কান্না, আর এমন সময় আমার চাচা ব্যবসায়ীক কোন কাজে জামাল পুর গেছিল, তিনি গত কয়েকদিন বাড়িতে ছিলনা, আর এর মাঝেই এসব ঘটনা ঘটে যায়, চাচী বকা-ঝকার ভয়ে ছোট কাকাকে কিছুই যানায়নি। আর

আমাদের কাউকেই যানায়নি, যখন দেখে যে, উপায় নেই তখন কাকার কাছে কল করে শুধু এতটুকুই বলে যে, ঘুম থেকে জেগেই বাবুর এমনটি হয়েছে, কোন বোধশক্তিই কাজ করছে না। তখন কাকা তাদনগদই রওয়ানা হয়ে ঢাকায় আসেন এবং মুস্তাকিম বাবুকে শিশু হাসপাতালে নেয়া হয় বুধবার দিবাগত রাতের শেষে ভোর চারটার সময়, সেখানের ডাক্তারা পরামর্শ দিয়েছে মিডফুড হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি

করতে, এখন আমাদের চোখের মনি হাসপাতালের বেডে শুয়ে কোন পরিবর্তন নেই প্রায় চোদ্দ ঘন্টা। ডাক্তারদের চিকিৎসা ও মহান মহীয়ানে অনুগ্রহে চোদ্দ ঘন্টা পরে কিছুটা স্বাভাবিক হয়। মানে কেঁদে উঠে ওর কান্নাও যেন আমাদের সকলের মনে আনন্দের বার্তা বয়ে এনেছে। বৃহস্পতি বারে বিকেল থেকে কোন ডাক্তার নেই, শুক্রবার সারাদিনও কোন ডাক্তার নেই, আর আমাদের ছোট বাবুরও কোন পরিবর্তন

নেই, আপনারা সবাই আমার ছোট চাচার ছেলেটার জন্য দোয়া করবেন। যেন মহান স্রষ্টা আমার চাচার ঘর আলোকিত করে তাঁর ছোট ছেলের সুস্থতার মাধ্যমে। কারন এর পূর্বেও ছোট চাচার প্রথমে দুটি জমজ ছেলে হয় আর হওয়ার পরেই একটি ছেলে সকালে ও অপরটি বিকেলে মারা যায়। এর পরেই তিন নম্বর ছেলে মুযাহিদ হয়, তারও পাঁচ বছর পরে মুস্তাকিম হয়। মুস্তাকিম এতটাই চঞ্চল যে, সে নিজেও মজা

পায় নানা রকম ভঙ্গিমা করে, আর সবাইকেও মজা দেয়। সবাই তাঁর এসব দুষ্টোমিতে আনন্দ উপভোগ করে। কেউ ধমকও দেয়না। আপনারা সবাই আমার এই ছোট ভাইটির জন্য প্রান খুলে দোয়া করবেন। সে যেন আমাদের সবার কলিজার টুকরা হয়ে আছে। আর এখন যেন সে জিবন্ত লাশের মত হয়ে পড়ে আছে। তাই সবাই সাবধান! আবারও বলছি সবাই সাবধান! সাবধান! একটি ছোট শিশু থেকে

অপর ছোট শিশুকে মুক্ত রাখেন। কারন হতেও পারে বড় শিশুটি ছোট শিশুর মৃত্যুর কারন। তখন বড় শিশুটিকে মেরেও ছোট শিশুটিকে বাঁচানো যাবেনা। তাই সাবধান হউন সবাই। কখনোই বড় শিশুটির কাছে বা ভরসা করে ছোট শিশুটিকে রেখে যাবেন না।

(খ) আরেকটি ঘটনা! বার বছরের এক ছেলে স্কুল থেকে এসে গরমের অস্থীর হয়ে মাকে বলে যে, মা আমি একটি পেঁপে কেটে খাবো। ওদের গাছে আঁধা পাকা পেঁপে ছিল, মা বলেছে যা, গাছ থেকে পেরে খেতে বলে। ওদিকে ঘরের আঙিনায় আরেক ছেলেকে ঘুম পাড়িয়ে রাখে। আর গাছটি উঠানের মাঝখানে। কেউ সেদিকে খেয়াল করেনি। বড় ছেলেটি দৌড় দিয়ে গাছে উঠে একটি পেঁপে ছিড়ে নিচে ফেলে আর

পেঁপেটি নিচে পড়ে আবারো লাফ দিয়ে পড়ে ঘুমন্ত সেই ছেলেটির উপর। আর সাথে সাথেই নাকে মুখে রক্ত এসে ছোট ছেলেটি মারা যায়। হাসপাতালে নেয়ারও সুযোগ হয়নি। লোকে এই বলে শান্তনা দিয়েছে যে, আল্লাহ এভাবেই মৃত্যু রেখেছে, তাই হয়েছে। আসলেই তাই। তবে কিছুটা সতর্ক থাকলে আর সবার ক্ষেত্রে এমনটি হবেনা।  আর এই সব ঘটনা থেকে আমাদের সবাইকে সতর্ক হতে হবে।


(গ) আরেক ঘটনা! এক দম্পতির বিয়ের ত্রিশ বছর কোন সন্তান হয়নি। ডাক্তার শুধু আশা দেয় দেরি হলেও আপনাদের সন্তান হবে। ধৈর্য রাখুন। এসব বলে বলে একদিন ঠিকই তাদের এক ছেলে সন্তান আসে মা বাবার মুখে হাসি ফোটাতে, বাবা মার এতদিনের হতাশা দুর করতে, ছেলেটি দেখতে যেন একেবারে রাজপুত্রের মত। এতদিন পর যেন মা বাবার জীবন সার্থক হল সন্তান জম্ম দিয়ে। মা খুবই যত্ন করে

লালন-পালন করে ছেলেটিকে, একদিকে দাদা, দাদী, চাচা, ফুফু, অপরদিকে নানা, নানী, মামা, খালারা সবাই যেন হাতে পেয়েছে চাঁদের টুকরা। কেউই যেন আদর করতে কম করেনা।  হঠাৎ একদিন মা সকালে ঘুম ভাঙতে দেরি হয়। ওদিকে শিশু ছেলে তো খিদায় অস্থীর। মা তাড়াতাড়ি সূজি রান্না করে বাটিতে নিয়ে দ্রুত ঠান্ডা হবে ভেবে খাটের উপর যেখানে ফ্যানের বাতাস লাগে সেখানে রাখে, কি যেন করতে

মা ভেতরে যায়, আর এমনিতেই ছেলেটির লেগেছিল প্রচন্ড ক্ষুধা, ছেলেটি বাটি ধরেই ঢকঢক করে সেই চুলা থেকে নামানো সূজি গিলে ফেলে মা হাত থেকে নিতে নিতে যতটুকু গিলেছে ঠিক ততটুকুই পুঁড়ে ফুঁসকা পড়ে ডাক্তারের কাছে নিতে নিতেই ভেতরের ফুঁসকা গুলো গলে বাচ্চা ছেলেটি সাথে সাথে মারা যায়। দেখুন ত্রিশ বছর অপেক্ষার পর একটি সন্তান পেল, আবার নিজেদের অসচেনতার কারনে অকালে

হারালো। তাই আমরা যদিও জানি মৃত্যু আমাদের অনিবার্য। কিন্তু একজন থেকে সব জনের অনেক কিছু শেখার থাকে। তাই সবাই সাবধান হউন।
(ঘ) আরেক ঘটনা! মা তেলের পিঠা বানিয়েছে, আর ঘরে তিন বছরের মেয়ে তন্নি মায়ের সাথে সাথে বসে বসে পিঠা বানানোর গোলানো খামির হাত দিয়ে মেখে মেখে একহাত থেকে অপর হাতে লাগিয়েছে। মা পিঠা বানানো শেষ হলে আরেক ঘরের

ভেতরে বারান্দায় নিয়ে রেখেছে সেই গরম তেল পূর্ণ কড়াই। যাতে তন্নি ধরতে না পারে। কপালের লিখন মা যখনই কড়াই রেখে আবার রান্না ঘরে গেছে বাকি কাজ সারতে, তন্নি তো মনে করেছে মা টয়লেটে গেছে হাত ধুঁতে, অথচ মা গেছে রান্না ঘরে, তন্নি সামেন টয়লেটে মাকে না পেয়ে ভেতরের টয়লেটে গেছে মাকে খুজতে সেখান গিয়ে দেখে মা এই টয়লেটেও নেই, ফিরে আসছিল তন্নি এমন সময় দেখে যে,

কড়াতে টলটল করছে সেই গরম তেল, তন্নি তো পানি মনে করে সেই তেলে দুই হাত একসাথে করে ধুইতে যায় আর সাথে সাথেই কচি দুটি হাত পুঁড়ে চামড়া উঠে এসে আঙ্গুলের বারবার ঝুলে যায়। মা তো দৌড়ে এসে ঠান্ডা পানিতে ভেজায় আর এই কারনেই সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে নিলে হাত বেঁচে যায় ঠিকই কিন্তু হাতটা পুরো সাদা সাদা হয়ে থাকে, ডাক্তার বলেছে এমনই থাকবে আজীবন। অল্পের জন্য

বেঁচে গেছেন নয়তো আরো একটু সময় তেলের মধ্যে থাকলেই দুটো হাতই হারাতে হতো। 
আরো কিছু বিষয় উল্লেখ করছি, সবাই এর থেকে সাবধান হবেন আশা করি।
১/ একটি শিশুর সামনে অন্য একটি শিশুকে ঘুম পাড়াবেন না। কারন যে জেগে থাকবে সে হয়তো বা কিছু দিয়ে বারী মারতে পারে। এতে করে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে অপর শিশুটির।

২/ কোন সময়ই আপনার বেবীকে একা একা টয়লেটে পাঠাবেন না। কারন আমাদের কিছুটা অসর্তকতার কারনে ঘটতে পারে মহা বিপদ।

৩/ কখনোই রান্না ঘরে চুলা জ্বালিয়ে রাখবেন না।

৪/ একা একা বাহিরে ছাড়বেন না।

৫/ অপরিচিত কারো কোলে দিবেন না।

৬/ দরজা খোলা রাখবেন না।

৭/ ফ্রিজের কারেন্ট পয়েন্টে ব্লাকটিপ লাগিয়ে রাখবেন।

৮/ আর রাতে ঘুমানোর সময় কারেন্টের যেগুলো রাতে দরকার নেই তার সবগুলো বন্ধ করে রাখবেন।

৯/ যারা পানি ফুটিয়ে পান করেন। তারা সবসময় কঠোর নজর রাখবেন যেন শিশুটি সেই গরম পানির পাত্রের কাছে না যায়।

১০/ আর শিশুদেরকে বাহিরের খোলা খাবার দিতেও সাবধানতা অবল্বন করুন।


আমাদের সবাইকে আরো সচেতন হতে হবে শিশুদের ব্যপারে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.3 (4টি রেটিং)

খুবই দুঃখজনক ঘটনাগুলো। বাবা-মাদের সতর্ক হওয়া দরকার এসব ঘটনাগুলো এড়ানোর জন্য।

দো'আ করি আপনার চাচাতো ভাইকে আল্লাহ্ সুস্থ-স্বাভাবিক করে দিন দ্রুত।

ধন্যবাদ অনেক অনেক পড়ার, মন্তব্য করার,  আর দোয়ার জন্য

শুভ কামনা আপনার জন্য

আল্লাহ সুবহানা ওয়া তাআলা আপনার চাচাতো ভাইকে আল্লাহ্ সুস্থতা দান করুন। আল্লাহুম্মা আমীন।
এখন কি অবস্থা?

ধন্যবাদ পড়ার, মন্তব্য করার, ও দোয়া করার জন্য।

এখন অবস্থা হল আগের চেয়ে তুলনা মূলক ভাল। মিডফুডে রেখে কোন পরিবর্তন হয়নি দেখে, সেখান থেকে নাম কাটিয়ে এসে প্রাইভেট ডাক্তার দেখিয়েছেন, ডাক্তার প্রার্থমিক চিকিৎসা হিসেবে কিছু ওষুধ দিয়েছে, তা কয়েক বার খাওয়ানোর পরে গতকাল নড়াচড়া করেছে কান্না কাটিও করেছে। ডাক্তার বলেছে পুরো বডি চেকআপ করাতে সেটাও করানো হয়েছে, আজ সন্ধ্যার পরে রিপোর্ট দিলে বিস্তারিত জানা যাবে।

দোয়ার দরখাস্ত রইলো।

''সাদামেঘ''

চিকিত্‍সা ব্যবস্থার দশা দেখলে মনের মাঝে ক্ষোভ জন্মে। যাইহোক, আল্লাহ তাআলা এমন সুন্দর শিশুটিকে সুস্থতা দান করুন। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন। পরবর্তী খবর জানাবেন দয়া করে।

আমার ভাইটির অবস্থা এখন আগের থেকে ভাল। সবার দোয়ায়।

ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।

এ পোষ্টে শিশুটির সর্বশেষ আপডেট জানাবেন।

আল্লাহ্ তাকে দ্রুত সুস্থ করে দিন।

আমার ভাইটিকে মিডফুড থেকে নাম কেটে এনে প্রাইভেট ডাক্তার দেখিয়েছেন এরপর ডাক্তার দুইদিনের ওষুধ দিয়েছেন আর বলেছেন কিছু টেষ্ট করাতে। ওষুধ সেবনের পর আমার ভাইটি মহান স্রষ্টার অশেষ কৃপায় এখন ভাল আছে। নয়টি টেষ্ট দিয়েছে একজন ডাক্তার। আর আরো কয়েকজন ডাক্তারের সাথে আলোচনা করেছেন, এবং তারা সকলে মিলে একটি পরামর্শ দিয়েছেন পুরো বডি টেষ্ট করাতে আমার চাচা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই করাবে। এবং করিয়েছেনও। এখন ভাইটির সমস্যা হল ওর ফুসফুসে ফুটো হয়ে গেছে, রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখানো হলে তারা নতুন চিকিৎসা দিয়েছেন কিছু ওষুধ ও বলেছেন ওরকে মোট পনেরটি ই্ঞ্জেক্শন পুশ করতে হবে শরীরে, এর মধ্যে পাঁচশত পাওয়ারের দশটি আর তিনশত পাওয়ারের পাঁচটি মিক্সড করে দিতে হবে। আর এতে করে উপকার হবে এমন, যেমন আমরা কাটা- ছেড়ার সময় এ টি এস ইঞ্জেকশন দেই আর তাতে আমাদের শরীরের ঘাঁ শুকিয়ে মাংশ পূর্ণ করে, তেমনী এর দ্বারা ফুসফুসের ছিদ্র পূর্ণ হবে। ওষুধের চিকিৎসাতে আমার ভাইটি বর্তমান খেলাধূলা করছে, অনেকটা আগের মত। আপনারা দোয়া করবেন। আমার এই ছোট ভাইটির জন্য

মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ
শুভ কামনা।

''সাদামেঘ''

ভিন্ন প্রসঙ্গ: আপনার এজাতীয় পোষ্টগুলো ভালো লাগে। একটি বিষয়ে কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ। গল্পের স্বাদ থাকে অথচ ঘটনাগুলো সত্যি। আরো চাই...

ভাল লাগা মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

পাবেন আশা করি।

''সাদামেঘ''

ভালো থাকুক পৃথিবীর শিশুরা। শিশুদের কষ্ট আমার একদমই সহ্য হয় না।

-

সূর আসে না তবু বাজে চিরন্তন এ বাঁশী!

সুন্দর দোয়ার জন্য শুভ কামনা।
সব শিশু সর্বদাই ভাল থাকুক।

''সাদামেঘ''

আরো একটা বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন বিশেষ করে কোরবানীর ঈদের সময়, যাতে বাচ্চারা গরু জবাইয়ের দৃশ্য না দেখে। এতে করে দুই ধরনের সমস্যার আশংকা থাকে। যেসব বাচ্চা নরম মনের, তারা ভয় পেয়ে ট্রমায় আক্রান্ত হতে পারে। আর যেসব বাচ্চা একটু কঠিন মনের, তারা জবাইয়ের কাজটি অনুকরণ করে বসতে পারে।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.3 (4টি রেটিং)