হঠাৎ স্বপন হঠাৎ ভাঙন!! (ঙ)

(ঙ)
এক-শ্বাসেই যেন সব জানতে চায়। মনিরা বলে যে, এত প্রশ্ন একসাথে করলে কিভাবে জবাব দেব? একটা একটা করলে কি সমস্যা? মাহমুদ বুঝায় যে দেখার করার জন্য তার আর দেরি সহ্য হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার বিকেলে দেখা হবে সায়েবাদ পার্কের সামনে। মনিরা মনে মনে ভয় পেলেও বিবেগের সজাগ দৃষ্টির কাছ থেকে সাহস সঞ্চয় করে নেয় তারপর মাহমুদকে বলে আমার একটি শর্ত আছে মাহমুদ বলে তোমার একটি কেন হাজরটি শর্ত আমি মানতে রাজি আছি।


মনিরা বলে আমি পার্কের ভেতরে যাবো না। আমরা বাহিরে থাকবো কথা তবে দেখা হবে ব্যস! বৃহস্পতিবার বিকেল! মনিরা ও পাপিয়া দুজনেই বোরকা পরে নিয়েছে। বের হয়েছে একসাথে কিন্তু দুজনের মাঝে বলা আছে পার্ক থেকে কিছুটা দুরে নেমে হেঁটে যাবে পার্কের সামনে তাই করল। মনিরা হেঁটে হেঁটে যেতে যেতেই কল মিস কল দিল মাহমুদকে মাহমুদ তো সাথে সাথেই কল করল।


করে বলল আমি তো দাড়িয়েই আছি তোমার অপেক্ষায়। তুমি রিকসা থেকে নামতেই আমি তোমাকে দেখে নেব সেই আশায়। মনিরা বলল আপনাকে দেখছি না তো। মাহমুদ বলল পার্কের গেটের বরাবর লাল মোবাইল শার্ট পরনে দেখেছ এবার? মনিরা তো দেখতে পেয়ে ভয়ে থরথর করে কাপঁছে ওর সারা শরীর। লোকটা কালো, কালো কোন দোষ নয় তবে কালোর মাঝে ও কত সুন্দর চেহারা হয়।


কিন্তু মাহমুদের নামের সাথে মানুষের কোনই মিল নেই। মোটা পেট বের করা দেখতে যেন বয়ষ্ক লোকের মত মনে হয়। চোখ দুটো লাল যেন রক্ত বের হবে আরেকটু হলেই। কেমন যেন নেশাখোর নেশাখোর মনে হল মনিরার কাছে। মনিরার ভয়ে হাত পা জড়সড়ো হয়ে যাবার উপক্রম হল। তবুও সাথে পাপিয়া আছে বলে কিছুটা সাহস পেল।


সেই সাহস নিয়ে সামনে অগ্রসর হল মনিরা। নিজেই গিয়ে পরিচয় দিল আমিই সেই! বলে। মাহমুদ আধুনিক ষ্টাইলে হাত বাড়িয়ে দিল হেন্ডশেক করার জন্য মুনিরা সালাম দিল মাহমুদ তা দেখে অট্টহাসিতে যেন পড়ে যাবার উপক্রম। হাসতে হাসতে একবার নিচু হয় একবার সোজা হয়। সে সোজা হয়ে বলল তুমি দেখি একেবারে সেকেলে। আধুনিকতার আ! ও তোমার মাঝে নেই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)