আন্টার্কটিকার-বরফ ও আবহাওয়া মন্ডল (শেষ পর্ব)।

ভারত ও আটলান্টিক মহাসাগরের এই শৈলশিরাগুলির মধ্যে দিয়ে যেমন গভীর ফাটল
আছে,কিন্ত আন্টার্কটিকার এই শৈলশিরার বেশিরভাগ জায়গাতেই সেরকম কোন ফাটল
নেই।
এই শৈলশিরা যেখানে যেখানে পানির উপর উঠে গেছে সেখানে সেখানে সৃস্টি হয়েছে
ছোট ছোট দ্বীপের যেমন-কারগুলেন,প্রিন্স এডওয়ার্ড,বুভে,সাউথ অর্কনী,সাউথ
স্যান্ডউইচ দ্বীপ পূঞ্জ,সাউথ জর্জিয়া দ্বীপ পুঞ্জ,সাউথ শেটল্যান্ড দ্বীপ
পুঞ্জ ইত্যাদি,এবং এই দ্বীপ গুলির অধিকাংশই আগ্নেয়গিরি থেকে তৈরী।

আন্টার্কটিকার তাপমাত্রা এত কম কারন পৃথিবীর মেরুঅঞ্চলে অবস্হিত এখানে
সূর্যের তাপ খুবই কম পৌছায়,তাছাড়াও আন্টার্কটিকার উচ্চতাও অনেক,আর উচ্চতা
বেশী হলে তাপমাত্রাও কমে যায়।ভৌগলিক দক্ষিন মেরুর উচ্চতা 2900
মিটার,সেখানকারর বার্ষিক গড় তাপ -51ডিগ্রী সেলসিয়াস।
পৃথিবীর শীতলতম জায়গা ভোস্টক দক্ষিন মেরু থেকে 1600 কিঃমিঃ দূরে
অবস্হিত,সেখানখার উচ্চতা 3400 মিটার সেখানে 22 শে মে থেকে 23 শে আগস্ট
পর্যন্ত সময় রাত থাকে।1960 সালের 24 শে আগস্ট ভোস্টকে পৃথিবীর সর্বনিম্ন
তাপমাত্রা -88.3ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।
সুমেরু থেকে কুমেরু এলাকায় শৈত্য অনেক বেশী হলেও তুলনামূলক সৌ্র তাপ কুমেরু
অঞ্চলেই বেশি আসে,ডিসেম্বর মাসে দক্ষিন মেরুতে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে
37000 হাজার ক্যালোরি সৌ্র বিকিরন আসে।এই বিকিরনের কিছুটা বায়ু মন্ডল শোষন
করে,আর বাকিটা 28500 ক্যালোরি প্রতি বর্গর্সেন্টি্মিটার আন্টার্কটিকার
বরফের উপর পড়ে।
আন্টার্কটিকার বায়ূন্ডল পরিস্কার থাকার কারনে বায়ুমন্ডল প্রতিফলিত সৌর
বিকিরন খুব বেশি শোষন করতে পারে না,তার ফলে আগত বিকিরনের বেশিরভাগই আবার
মহাশূন্যে ফিরে যায়।
আবার সুমেরু অঞ্চলের বরফের উপর সৌর বিকিরনের পরিমান 5900 ক্যালো্রি
প্রতিসেন্টিমিটারে,এখন মনে প্রশ্ন আসতে পারে কুমেরু অঞ্চলে শৈত্য এত বেশি
কেন?সুর্য বিকিরনই এই দুই অঞ্চলের তাপের একমাএ উৎস নয়,নিম্ন অক্ষাংশের গরম
সমুদ্রস্রোত ও বায়ুস্রোত তাপবহন করে আনে।সুমেরু অঞ্চলের বরফের নিচে সমুদ্র
আছে,এর পানির তাপ বরফের মধ্য দিয়ে এসে সুমেরুর বাতাসকে খানিকটা তাপ দেয়।
দক্ষিন সমুদ্রের সাথে আর্কটিক সমুদ্রের বেশ কিছু পার্থক্য আছে,উওরের
সমুদ্রের চারপাশ ঘিরে রয়েছে মহাদেশগুলি।এর মাঝের কিছু ফাঁক দিয়ে পৃথিবীর সব
সমুদ্রের সাথে আর্কটিক সাগরের কিছুটা যোগাযোগ হয়।
অন্যদিকে দক্ষিন সমুদ্রের সাথে পৃথিবীর সব মহাসমুদ্র সরাসরি যুক্ত এর ফলে
দক্ষিন সমুদ্রের পরিস্কার কোন সীমানা নেই।তাই পৃথিবীর সমুদ্রের পানিরাশির
সংবহনে আর্কটিকের চেয়ে আন্টার্কটিকের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
আবার গরমের তুলনায় শীতকালে বায়ুমন্ডল থেকে বরফের ওপর দ্বিগুন পরিমান তাপ
বিকিরন হয়,কারন শীতকালে বরফের উপরিভাগের চেয়ে উর্ধ বায়ুমন্ডল বেশী গরম
থাকে,এর ফলে উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা কমার পরিবর্তে বেড়ে যায়।আবার গরমকালে
এর ঠিক উল্টো্টা হয়।
আন্টার্কটিকার বরফ গরমের সময় খুব অল্প সময়ের জন্য তাপ লাভ করে,অ্যাবসলিউট
জিরো তাপমাত্রার ওপরে যেকোন জিনিসই তাপ বিকিরন করে।এর থেকে দেখা যায় যে
আন্টার্কটিকার বরফ সূর্য থেকে যে পরিমান তাপ পায় তার থেকে বেশি তাপ সে
বিকিরন করে।
আন্টার্কটিকার পিঠটা অনেকটা কচ্ছপের পিঠের মত,এর কারনে আন্টার্কটিকার
ঠান্ডা ভারি বাতাস উচ্চভূমি থেকে উপকূলের দিকে গড়িয়ে প্রবাহিত হয়,এ ধরনের
বাতাসকে বলে “ক্যাটাবেটিক হাওয়া”।এই বাতাস যখন একদিকে বয়ে যায় তখন এই বাতাস
বরফের উপর সরু সরু একধরনের তীক্ষ টিলা তৈরী করে,এই টিলাগুলিকে বলে
সাসত্রুগি।

এছাড়াও এই হাওয়ার বেগ সাধারনত বরফের ঢালের উপর নির্ভর করে যেমন-30 ডিগ্রী
ঢালে এই বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় 45 কিঃমিঃ এইভাবে যেতে যেতে এই বাতাসের বেগ
আচমকা বেড়ে যায় এবং তখনি ব্লিজার্ডের (এক ধরনের মেরু ঝড় যার গতিবেগ অনেক
সময় 200 কিঃমিঃও ছাড়িয়ে যেতে পারে)সৃস্টি হয়।

মেরু অঞ্চলের এই ব্লিজার্ড বেশ আজব ধরনের,এই ব্লিজার্ড যখন সুরু হয় তখন কোন তুষারপাত হয় না,এমনকি কোন কোন সময় আকাশও পরিস্কার থাকে।

জনবসতি থেকে আন্টার্কটিকা অনেক দূরে থাকায় এখানকার পরিবেশ তেমন দূষিত
হতে পারেনি,যার কারনে পৃথিবীর আবহাওয়া মন্ডল কিভাবে এবং কতটা দূষিত হয়েছে
তা মাপার জন্য আন্টার্কটিকার পরিবেশকে একটি মডেল হিসাবে ধরা হয়।

এই আন্টার্কটিকাতেই বিজ্ঞানীরা ওজোন স্তরে বিশাল এক গর্তের সন্ধান পেয়েছেন
(এই ওজোন হলো এক ধরনের গ্যাস যা অস্কিজেনের তিনটি অনু দিয়ে তৈরী একে বলা হয়
এ্যালাট্রপিক ফর্ম, এই ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনী রশ্নি থেকে
পৃথিবীর প্রানী এবং উদ্ভিদকে রক্ষা করে।)।

 

পৃথিবীর উন্নত দেশ গুলির বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে এই গর্তের সৃস্টি
হয়েছে,আন্টার্কটিকায় উপরের ওজোন স্তর তার 40 শতাংশ ইতিমধ্যে হারিয়ে ফেলেছে।
তবে আমাদের ভাগ্য ভালো যে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেএ এই গর্তটিকে টেনে মানুষ
শূন্য আন্টার্কটিকায় নিয়ে গেছে।

আন্টার্কটিকার ভূপৃস্ট থেকে 15 থেকে 25 কিঃমিঃ ওপরে এই ওজোন স্তরের পরিমান
সব চেয়ে বেশি,এই কারনে বিজ্ঞানীরা এখান থেকে ওজোন স্তরকে খুব ভালভাবে
পর্যবেক্ষন ও গবেষনা করতে পারে।

 

এই ওজন স্তরের অবস্হান হছে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তর হলো
স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার,এই স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওপরের দিকে ওজোন স্তর
অবস্হিত।মেরু অঞ্চলের উপরের বায়ু মন্ডলের চরিত্র নি্রক্ষীয় অঞ্চলের
উর্ধবায়ুমন্ডল থেকে সম্পূর্ন অলাদা,এর কারন পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের
প্রভাব।

এই চৌম্বকক্ষেএ নিরক্ষীয় অঞ্চলে একরকম আর মেরু অঞ্চলে অন্যরকম আচরন
করে,নিরক্ষীয় অঞ্চলে এই চৌম্বকরেখা ভূপৃস্ঠের সমান্তরাল থাকে,আর মেরু
অঞ্চলে থাকে ভূপৃস্ঠে লম্বভাবে।

পৃথিবী যে অক্ষরেখার চারপাশে আবর্তন করছে সেই অক্ষরেখাটি ভূপৃস্ঠকে যে
দুটি বিন্দুতে ছেদ করছে তাকেই সাধারনত মেরু বলা হয়।এই ভৌগলিক মেরু ছাড়াও
আরও দুধরনের মেরু আছে-চৌম্বক মেরু ও ভূ-চৌম্বক মেরু।

ভৌগলিক দক্ষিন মেরুর অবস্হান 90 ডিগ্রী দক্ষিন অক্ষাংশে,আর দক্ষিন চৌম্বক
মেরুর উপস্হিতি (এই চৌম্বক ক্ষেএ একজায়গায় স্হির থাকে না) হলো 72.5 ডিগ্রী
দক্ষিন অক্ষাংশ ও 155 ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমায়,এখন এই বলা যায় যে এই
চূম্বকের অক্ষরেখা ভূপৃস্ঠের যে দুটি বিন্দুতে ছেদ করে তাকে বলে হয়
ভূ-চৌম্বক মেরু।দক্ষিন ভূ-চৌম্বক মেরু আছে 78.6 ডিগ্রী দক্ষিন অক্ষাংশ ও
110 ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাতে।

 

 

এই চৌম্বক রেখাগুলি দুই ভূ-চৌম্বক মেরুতে খাড়াভাবে ঢুকেছে,আর নিরক্ষীয়
অঞ্চলে এই রেখাগুলি থাকে ভূ-পৃস্টের সাথে সমান্তরাল ভাবে।পৃথিবীর এই চূম্বক
সূর্য থেকে আগত বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক কনিকাকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে
প্রবেশ করতে বাধা দেয়।

এই বাধা দেয়ার শক্তি পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলে সব থেকে বেশী,কারন এখানে
চূম্বক রেখাগুলি ভূ-পৃস্ঠের সাথে সমান্তরাল ভাবে থাকে এবং আগত কনিকাগুলি এই
রেখার ওপর সরাসরি লম্বভাবে পড়ে।আবার মেরু অঞ্চলে এই বাধা সব থেকে কম,কারন
এখানে এই কনিকাগুলো চৌম্বকরেখার সাথে সমান্তরাল ভাবে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে
প্রবেশ করে।

এমনি ভাবে সূর্যের এই কনাগুলি যখন চৌম্বকক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন এই
চৌম্বকরেখা এই কনাগুলিকে টেনে উওর বা দক্ষিন ভূ-চৌম্বক মেরুতে নিয়ে
যায়,সেখানে এই কনাগুলি তখন উল্লম্বভাবে সেখানকার বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে।

এবং এই কনাগুলি বায়ুমন্ডলের সাথে সংঘর্ষ ঘটায়,এর ফলে সেখানকার আকাশ জুড়ে
তখন শুরু হয় অদ্ভুত আলোর খেলা যাকে আমরা বলি অরোরা।উওর মেরুর অরোরাকে বলা
হয় অরোরা বোরিয়ালিস এবং দক্ষিন মেরুর অরোরাকে বলা হয় অরোরা অস্ট্রালিস।

 

পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের সাথে অরোরার একটা সর্ম্পক আছে,দেখা যায় যে পৃথিবীর
চৌম্বকক্ষেত্রের বাড়া কমার সাথে সাথে অরোরাও বাড়ে কমে।আর এই অরোরা মেরু
অঞ্চল ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না,কারন সূর্য থেকে আগত এই চার্জযুক্ত
কনাগুলি মেরু অঞ্চলের আয়োনোস্ফিয়ারে (বায়ুমন্ডলের একটি অংশ) সব থকে বেশি
থাকে।
বিজ্ঞানীরা এই অরোরার আলো পরীক্ষা করে বায়ুমন্ডলের রাসায়নিক বিক্রিয়া
(Chemical Composition) সর্ম্পকে ধারনা লাভ করে যেমন-অরোরায় পীতাভ সবুজ যে
রংটি দেখা যায় তা হলো অক্সিজেনের উপস্হিতির ফলে।

মেরু অঞ্চলের আয়োনোস্ফিয়ারে আর একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটে,এখানে যে সমস্ত
গবেষনাগার আছে সেখানকার বেতার যন্ন্ত্রে কয়েক সেকেন্ড পর পর একটা শিসের
আওয়াজ ধড়া পড়ে।
একে বলা হয় হুইসলার (Whistler),এগুলি এক ধরনের দীর্ঘ তরিৎ-চূম্বক তরন্গ,এই
তরিৎ-চুম্বক তরন্গের সৃস্টি হয় বজ্রপাতের ফলে।আর এই তরংগ পৃথিবীর
চৌম্বকক্ষেএ দ্বারা প্রভাবিত হয়।অনেক সময় এই শিস চৌম্বকরেখা অনুসরন করে দুই
মেরুর দুটি যুগ্ম (Conjugate) চৌম্বক বিন্দুর মধ্যে প্রতিফলিত হতে থাকে।

কাজেই দেখা যাচ্ছে যে বায়ুমন্ডল নিয়ে গবেষনার জন্য মেরুঅঞ্চল সবদিক থেকে
আর্দশ জায়গা।এছাড়াও পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের ওপর মেরুঅঞ্চলের প্রভাব বেশি,আর
মানুষের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে সমগ্র পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে যার
কারনে বায়ুমন্ডল আজ হুমকির মুখে।

আর এর প্রভাব পড়ছে মেরু অঞ্চলের বরফের উপর,আগেই বলেছি সমগ্র পৃথিবীতে যে
পানি আছে তার 75 শতাংশই আছে আন্টর্কটিকার বরফে,আর পৃথিবীতে যত বরফ আছে তার
90 শতাংশই আছে এই বরফের মধ্যে।

এই বরফ যদি গলে যায় তবে পৃথিবীর অবস্হা কি হবে?আন্টার্কটিকার বরফ যদি 35
মিটার গলে তাহলে পৃথিবীর সমস্ত সাগরের পানির উচ্চতা 1 মিটার বাড়বে,আর যদি
সব বরফ গলে যায় তাহলে সমুদ্রপৃস্ঠের উচ্চতা 60 মিটার বাড়বে,এর ফলে পৃথিবীর
সমস্ত সমুদ্রবন্দর,উপকুলীয় এলাকা এবং এর সংলগ্ন সমস্ত বড় বড় শহর পানির নীচে
ডুবে যাবে।আর পৃথিবীর অনেক বড় বড় শহর সমুদ্রের পাশে অবস্হিত।

তবে উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলি সবচেয়ে বেশী
ক্ষতিগ্রস্ত হবে,কারন আমরা প্রযুক্তি এবং অবকাঠামোগত দিক থেকে অনেক অনেক
পিছিয়ে আছি,আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হলো আন্টার্কটিকার এই বরফ বর্তমানে গলতে
শুরু করেছে।

যদিও এই হার এই মুহুর্তে খুব বেশি না তবে একেবারে কমও না,কিন্তু পৃথিবীর তাপমাত্রা যদি আর একটু বাড়ে তাহলে আর রক্ষা নেই।

কাজেই এখনি সময় পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশ গুলি একসাথে মিলে উন্নত দেশগুলিকে
চাপ দিয়ে কার্বন ও অন্যান্য ক্ষতিকারক গ্যাসের নির্গমন কমাতে বাধ্য করা।

ছবি সৌজ্যন্যেঃ গুগল ও নাসা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

শেষ হয়ে গেল দারুণ একটি ধারাবাহিক। ভূগোল সাবজেক্ট আছে আমার। পড়ে বেশ মজা পেলাম। অনেক নতুন নতুন জিনিস জানতে পারলাম। শুকরিয়া জনাব। এ ধরণের লেখা আরো লিখবেন আশা করি। আচ্ছা দুটি প্রশ্ন করি, আপনি কী ভূগোলবিদ? আর এত বানান ভুল কেন?

লেখককে ধন্যবাদ অনেক সুন্দর ও শিক্ষনী ও লেখা পোষ্ট করার জন্য। আসা করছি আরো পাবো এরকম লেখ।

''সাদামেঘ''

ধন্যবা্দ আরো লেখা পাবেন।

-

They can not on this level understand a grain of salt much less than the
universe।

নেবুলা মোর্শেদ।

এই পর্ব শেষ তবে সামনে আন্টার্কটিকা নিয়ে আরো কিছু লেখা পাবেন আশাকরি।
না আমি ভূগোলবিদ নই,আর আমি অভ্রতে লিখি তাই কিছু বানান ভূল হতে পারে সেই জন্য ক্ষমাপ্রার্থী
-

They can not on this level understand a grain of salt much less than the
universe।

নেবুলা মোর্শেদ।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)