নারী স্বাধীনতা শেষ পর্ব

কেউ কেউ একথা বলে যে, পর্দার বিধান শুধুমাত্র রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণের জন্য ছিল এবং এই হুকুম তাঁদের ব্যতীত অন্য কোন মহিলাদের জন্য নয়। বরং তারা বলে যে, “যদি কখনও বের হওয়ার প্রয়োজন হয় তবে সাজসজ্জা করে শরীর প্রদর্শন করে বের হবে না যেমন করে জাহিলিয়াতের যুগে নারীরা বের হত”-এই আয়াতে সম্বোধন শুধুমাত্র রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণের প্রতিই করা হয়েছে। একথা শরয়ী এবং যুক্তি উভয় দিক দিয়েই ভুল। এজন্য যে, শরীয়তের অনেকগুলো বিধান দেয়া হয়েছে। তন্মধ্যে একটি বিধান এই যে, “ জাহেলী যুগের নারীদের মত সাজসজ্জা করে বের হবে না”-এই নির্দেশ কি শুধুমাত্র রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণের জন্য? অন্যান্য নারীদের জন্য কি জাহেলী যুগের নারীদের মত সাজসজ্জা করে বাইরে যাওয়ার অনুমতি আছে? স্পষ্টত অন্যান্য নারীদের ক্ষেত্রেও অনুমতি নেই। কেননা তাঁর পূর্বে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, “নামাজ কায়েম কর”। তাহলে নামাজ কায়েম করার হুকুম কি শুধুমাতে রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীদ জন্য? অন্যান্য নারীদের কি নামাজের হুকুম নেই? তারপর এই বিধান দেয়া হয়েছে যে,  “যাকাত আদায় কর”। তাহলে যাকাত আদায়ের নির্দেশি শুধুমাত্র রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণের জন্য? অন্যান্য মহিলাদের জন্য কি যাকাতের নির্দেশ  নেই? এবং তারপর আরও বিধান হয়েছে যে, “আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর”। তাহলে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ কি শুধুমাত্র শুধুমাত্র রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণের জন্য? অন্যান্য মহিলাদের জন্য কি এই নির্দেশ নেই? গোটা আয়াতের বর্ণনাভঙ্গি দ্বারা এটা স্পষ্ট যে, এই আয়াতের মধ্যে যতগুলি বিধান আছে তা সকলের জন্য। যদিও সরাসরি সম্বোধন রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণের প্রতি। কিন্তু তাঁদের নাধ্যমে গোটা উম্মতের প্রতি।

তাছাড়া পর্দার উদ্দেশ্য এই যে, সমাজের মধ্যে পর্দাহীনতার ফলে যে ফেৎনা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তা বন্ধ করা। এখন প্রশ্ন হল, ফেৎনা কি শুধুমাত্র রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণের বের হওয়ার দ্বারা সৃষ্টি হবে?( নাউজুবিল্লাহ) তাঁরা এমন পবিত্র রমণী যে, পৃথিবীর বুকে তাঁদের মত পবিত্র রমণী যে, পৃথিবীর বুকে তাঁদের মত পবিত্র রমণী জন্ম নেয়নি। তাঁদের দ্বারাই কি ফেৎনার আশংকা ছিল? অন্যান্য মহিলাদের বের হওয়ার দ্বারা কি ফেৎনার আশংকা নেই? যখন রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর স্ত্রীগণকে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে, তোমরা পর্দার সাথে বের হও, তো অন্যন্য নারীদের তো আরও বেশী করে এই নির্দেশ পালন করা কথা। এই জন্য যে, তাদের দ্বারা ফেৎনার আশংকা বেশী?

এছাড়া অন্য এক আয়াতে সমস্ত মুসলিম উম্মাহকে সম্বোধন করে বলা হয়েছেঃ “হে নবী নিজের স্ত্রীগণকে, কন্যাদেরকে এবং সমস্ত মোমেনদের নারীদেরকে বলে দিন, তারা যেন তাদের চেহারার উপর চাদর ঝুলিয়ে দেয়”।

এর চেয়ে অধিক পরিষ্কার এবং অধিক স্পষ্ট নির্দেশ আর হতে পারে নাএই আয়াতে আরবী শব্দ “জিলবাব” বলতে ঐ চাদরকে বলা হয় যা নারীরা এভাবে পরিধান করত, মাথা থেকে পা পর্যন্ত তাঁর সম্পূর্ণ শরীর ঢাকা থাকত। আপনাদের জানা আছে যে, হজ্বের সময় ইহরাম বাঁধা অবস্থায় নারীদের জন্য চেহারায় কাপড় লাগানো জায়েজ নেই। পুরুষ মাথা ঢাকতে পারে নাযখন হজ্বের সময় হল এবং হুযুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তাঁর সম্মানিতা স্ত্রীগণকে হজ্ব করানোর জন্য সঙ্গে নিয়ে গেলেন, তখন এই সমস্যা দেখা দিল যে, এক দিকে পর্দার হুকুম, অপদিকে এই হুকুম যে, ইরাম অবস্থায় মুখে কাপড় লাগানো যাবে না। হযরত আয়েশা ( রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা ) বলেন, “যখন আমরা হজ্বের সফরে উটের পিঠে বসে যাচ্ছিলাম, তখন পথিমধ্যে সামনে কোন বেগানা পুরুষ না থাকলে আমাদের ঘোমটা উঠিয়ে রাখতাম, আমরা আমাদের মাথায় একটি কাঠ লাগিয়ে রেখেছিলাম, যখন কোন যাত্রীদল অথবা বেগানা পুরুষ সামনে দেখা দিত তখন আমরা ঐ কাঠের উপর ঘোমটা ফেলে দিতাম। যাতে ঘোমটা চেহারায় না লাগে আবার সামনে যে পুরুষ আসছে তাঁর দৃষ্টিও না পড়ে”। এই বর্ণনা দ্বারা বুঝা যায়, রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর সম্মানিতা স্ত্রীগণ ইহরাম অবস্থায়ও পর্দা ছাড়েননি।

আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত আছে, এক মহিলার পুত্র হুযুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর সঙ্গে এক যুদ্ধে গিয়েছিল। যুদ্ধের পর সমস্ত মুসলমান ফিরে আসল কিন্তু তাঁর পুত্র ফিরে আসল না। এমতাবস্থায় স্পষ্ট যে, ঐ মহিলা কি পরিমাণ অস্থির হতে পারে। সে এই অস্থির অবস্থায় হুযুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর দরবারে তাঁর পুত্রের অবস্থা জানার জন্য দৌঁড়ে গেল এবং জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমার ছেলের কি সংবাদ? সাহাবায়ে কেরাম উত্তর দিলেন আপনার ছেলে আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হয়ে গেছেন। পুত্রের মৃত্যু সংবাদে তাঁর উপর যেন বজ্রপাত হল। এ অবস্থায় এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করল, হে মহিলা! আপনি এই অস্থির অবস্থায় বাড়ী থেকে বের হয়ে হুযুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর দরবারে আসলেন, এই অবস্থায়ও চেহারার উপর ঘোমটা টেনে দিয়েছেন? এই অবস্থায়ও আপনি ঘোমটা দিতে ভুলেননি? ঐ মহিলা উত্তর দিলেন, “আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু আমার লজ্জার তো মৃত্যু হয়নি, আমার ছেলে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে, কিন্তু আমার লজ্জা তো চলে যায়নি”। চিন্তা করে দেখুন! ঐ অবস্থায়ও ঐ মহিলা পর্দার কত গুরুত্ব দিয়েছে।

পর্দার বিধান আল্লাহ্‌ তায়ালা কুরআন মাজীদে অবতীর্ণ করেছেন এবং হুযুর ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) হাদীস শরীফে উহার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর সম্মানিতা স্ত্রীগণ ও মহিলা সাহাবীগণ এর উপর আমল করে দেখিয়েছেন। এখন পশ্চিমারা এই অপপ্রচার শুরু করেছে যে, মুসলমানেরা নারীদের সঙ্গে বড় নির্যাতনমূলক আচরণ করেছে। তাদেরকে ঘরের মধ্যে বন্দী করে দিয়েছে, তাদের চেহারার উপর ঘোমটা টেনে দিয়েছে এবং তাদেরকে কার্টুন বানিয়েছে। এখন কি

আমরা পশ্চিমাদের এই বিদ্রুপ ও অপপ্রচারের ফলে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর বিধান ত্যাগ করব? স্মরণ রাখুন! আমাদের অন্তরে এই ঈমান এবং দৃঢ় বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে যে, আমরা রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর নিকট থেকে যে পদ্ধতি শিখেছি সেটাই সঠিক ও সত্য। কেউ বিদ্রুপ করলে করুক, কেউ ভর্ৎসনা করলে করুক। ইহা তো মুসলমানের গলার হার। নবী ( আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-গণ কি কম ভর্ৎসনা সহ্য করেছেন? যত আম্বিয়া ( আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এই পৃথিবীতে এসেছেন সকলকেই এই বলে ভর্ৎসনা করা হয়েছে যে, এরা অনুন্নত, বর্বর এবং পশ্চাৎগামী। এরা আমাদের জীবনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করতে চায়। এ সমস্ত ভর্ৎসনা নবী ( আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-গণ কে করা হয়েছে। এখন আমরা ঈমানদার হওয়ার কারণে নবী ( আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-গণের ওয়ারিসযেভাবে উরররাধিকার সূত্রে অন্যান্য জিনিস পেয়েছেন এই ভর্ৎসনাও পাবেন। এই উত্তরাধিকারী থেক ঘাবড়িয়ে কি রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর আদর্শ ছেড়ে দিবেন? যদি  আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর উপর ঈমান থাকে তাহলে এ সমস্ত ভর্ৎসনা শোনার জন্য কোমর শক্ত করে তৈরী থাকতে হবে। কিন্তু আপনি যি একবার এ সমস্ত ভর্ৎসনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন এবং এটা মনে করেন যে, তারা তো ভর্ৎসনা করবেই, মন্দ বলবেই। কিন্তু আমাকে তো মুহাম্মদ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর পথে চলতে হবে, রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর সম্মানিতা স্ত্রীগণের পথে চলতে হবে। তারা হাজার ভর্ৎসনা করুক, বিদ্রুপ করুক, আমাদের প্রতি হাসুক, কিন্তু একদিন আসবে আমরা তাদের প্রতি হাসব। সুতরাং কুরআন মাজীদে এরশাদ হচ্ছেঃ “কাফেররা পৃথিবীতে মুসলমানদের সঙ্গে এরকম আচরণ করেছে যে, তারা মুসলমানদের দেখে ঠাট্টা বিদ্রুপ করত, যখন কোন মুসলমান তাদের নিকট দিয়ে যেত তারা একে অপরকে ইশারা করত, দেখ মুসলমান যাচ্ছে। কিন্তু আখেরাতে মুসলমানেরা কাফেরদের প্রতি হাসবে এবং গালিচার উপর বসে তাদের দিকে তাকাবে।

এই দুনিয়ার জীবন কয় দিনের? কাফেররা কতদিন ঠাট্টা বিদ্রুপ করবে? যেদিন চোখ বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন জানা যাবে, যারা বিদ্রুপ করত তাদের পরিণতি কি হয়েছে। অতএব মুক্তির একমাত্র পথ হল কাফেররা যতই ঠাট্টা বিদ্রুপ করুক আর ভর্ৎসনা করুক তাদের এসব কিছুতে ভীতু হওয়ার পরিবর্তে রাসূল ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-এর আদর্শ মজবুত করে ধরা।

স্মরণ রাখবেন, যে ব্যক্তি এই কাজের জন্য সাহস করে সাহস করে নিজের কোমর বেঁধে নেয় সেই দুনিয়াতে সম্মান লাভ করে। প্রকৃত সম্মান ইসলাম গ্রহণ করার মধ্যে, ইসলাম ত্যাগ করার মধ্যে নয়। হযরত উমর ( রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ) বলেছেনঃ “আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামের বদৌলতেই সম্মান দিয়েছেন”। যদি আমরা ইসলাম ত্যাগ করি তবে আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদেরকে সম্মানের পরিবর্তে লাঞ্ছিত করবেন।

এক বুযুর্গ বলেন, তাঁর এক বন্ধু লন্ডনে ছিল, সে একটা চাকরীর খুঁজে ছিল। সে চাকরীর জন্য একস্থানে ইন্টারভিউ দিতে গেল তখন তাঁর দাড়ি ছিল। যে ব্যক্তি ইন্টারভিউ নিচ্ছিল সে বলল, দাড়ি নিয়ে এখানে চাকরী করা কঠিন, তাই আপনাকে দাড়ি কাটতে হবে। সে খুব চিন্তায় পড়ে গেল দাড়ি কাটবে কি-না। সে সেখান থেকে চলে আসল এবং দুই-তিন দিন পর্যন্ত অন্য জায়গায় চাকরী খুঁজতে লাগল কিন্তু কোথাও চাকরী হল না। সে পেরেশান হয়ে গেল এবং দোটানায় পড়ে গেল, কি করবে। দাড়ি কাটবে কি-না। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিল আপাতত দাড়ি কেটে ফেলি যাতে চাকরী হয়ে যায়। সুতরাং সে দাড়ি কেটে ফেলল এবং চাকরীর জন্য সেখানে গেল। সেখানে যাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞেস করল কি জন্য আসলেন?

সে বলল, আপনি বলেছিলেন দাড়ি কাটলে চাকরী হবে তাই এসেছি।

কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞেস করল, আপনি কি মুসলমান?

সে বলল, হ্যাঁ।

কর্তৃপক্ষ পুনরায় জিজ্ঞেস করল, আপনি কি দাড়ি আবশ্যক মনে করতেন না অনাবশ্যক।

সে উত্তর দিল, আমি আবশ্যক মনে করেই রেখেছিলাম।

কর্তৃপক্ষ বলল, যখন আপনি জানতেন এটা আল্লাহর হুকুম এবং সে জন্য দাড়ি রেখেছিলেন। আর এখন শুধুমাত্র আমার বলার কারণেই আল্লাহর হুকুম ত্যাগ করলেন। অতএব বুঝা গেল আপনি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী নন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী না হয়, সে তাঁর অফিসারের প্রতিও বিশ্বাসী হতে পারে না। অতএব এখন আমি আপনাকে চাকরী দিতে অপারগ।

দুনিয়া ও আখেরাতে উভয় জায়গাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হল। দাড়িও গেল, চাকরীও হল না।

শুধু দাড়িই নয়, বরং আল্লাহ্‌ তায়ালার যত হুকুম আছে তন্মধ্যে কোন একটাকে এই মনে ত্যাগ করা যে, মানুষ তিরষ্কার করবে। এই কারণে অনেক সময় দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জাহানই ধ্বংস হয়ে যায়।

তাই আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে সবসময় এই দুয়া করা যে, আমরা যেন আখেরাতকে দুনিয়ার উপর প্রাধান্য দিতে পারি। তাহলে আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদেরকে দুনিয়াতেও সম্মান দান করবেন এবং আখিরাতেও সম্মান দান করবেন।

আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদেরকে বুঝার এবং আমল করার তৌফিক দন করুন। আমীন।


আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None