পহেলা বৈশাখঃ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-১

সভ্যতা ও কৃষ্টি কালচারকে সংস্কৃতি বলে। সংস্কৃতি হচ্ছে জীবন সত্তার অন্তরঙ্গ ও বহিরাঙ্গের সামগ্রিক রূপ। সংস্কৃতি মানুষকে যেমন সুসংহত করতে পারে, তেমনি আবার মানুষকে বিধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। প্রত্যেক জাতির নিজস্ব একটি সংস্কৃতি রয়েছে। মুসলিমদের সংস্কৃতি হচ্ছে কুরআন-হাদীস ও ধর্মীয় গন্ডির ভিতরে নিয়ম নীতি মেনে চলা। 

কুরআন সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক যা কিছু হবে সবই মুসলমানদের জন্য অপসংস্কৃতি। প্রত্যেক ধর্মে তার নিয়ম নীতি ও প্রথাকে সংস্কৃতি বলা হয়ে থাকে। আর অন্য সমাজ তথা প্রথাকে বলা হয় অপসংস্কৃতি। ধর্মের সাথে সংস্কৃতি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আমরা মুসলমান এবং ধর্মের নাম ইসলাম। আজ আমাদের দেশীয় ধর্মীয় ও দেশীয় সংস্কৃতি মাতৃকূলচুত্য হয়ে ভূত-প্রেত ও মানবরূপী শয়তানী কর্মকাণ্ড সেখানে স্থান করে নিয়েছে। অপসংস্কৃতির বিষাক্ত ছোবলে মিল্লাতে মুসলিম হাবুডুবু খাচ্ছে। ইসলামী সংস্কৃতি বাদ দিয়ে বিজাতীয় সংস্কৃতি পালন করার কারণে মুসলমান জাতি আজ পথভ্রষ্টতার দিকে অগ্রগামী হচ্ছে। সংস্কৃতির নামে যতসব অপ্সংস্কৃতি, অশ্লীলতা ও নির্লজ্জতা মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে বিদ্ধ হচ্ছে।

বিজাতীয়দের পাচারকৃত সেসব নষ্ট ( নোংরা ) সংস্কৃতির আগ্রাসনে জাতি তথা সমাজ দিন দিন দূষিত হয়ে যাচ্ছে। আজ সুস্থ ধারার সংস্কৃতি আমাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে। বিজাতীয়দের কালচারে সমাজের চিত্র দিনে দিনে পরিবর্তন হচ্ছে। বিশেষ করে মুসলিম বিশ্ব, তন্মধ্যে অন্যতম আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। মুসলমানরা আজ এ কালনাগিনী ( অপসংস্কৃতি ) থেকে উত্তরণের কোন পথ খুঁজে পাচ্ছে না। মুসলিম পরিবারেও অপসংস্কৃতি ধুমধামের সাথে উদযাপন হচ্ছে। বিজাতীয়রা অপসংস্কৃতি মার্কেটে বিক্রি করছে, আর আমরা মুসলিম জাতি হয়েও তা ক্রয় করছি। সামনে পহেলা বৈশাখ। এ দিনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে যে অপসংস্কৃতি প্রবেশ করেছে তাই নিয়ে এই লেখা। ( চলবে...... )
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None